Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বাজেট

প্রবৃদ্ধির চেয়ে বাজারে স্বস্তি চায় মানুষ

  • শুধু চাই, বাজারের জিনিসপত্রের দাম কমুক। এখন পরিবার নিয়ে চলা খুব কঠিন হয়ে গেছে
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:১১
প্রবৃদ্ধির চেয়ে বাজারে স্বস্তি চায় মানুষ

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাাবিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও মূল্যস্ফীতির নানা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা, মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা এবং মোট বিনিয়োগ জিডিপির ৩১ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু অর্থনীতির এসব জটিল হিসাবনিকাশ সাধারণ মানুষের কাছে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাদের একটাই চাওয়া— বাজারে স্বস্তি ফিরুক, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমে যাক। রাজধানীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে উঠে এসেছে এমনই প্রত্যাশা। বাজেটের আকার, জিডিপি কিংবা রাজস্ব ঘাটতির হিসাব নয়; বরং সংসারের খরচ কমানোই তাদের কাছে সবচেয়ে বড়।

ঢাকায় দীর্ঘদিন ধরে বাস চালান করিমল। তিনি আগামীর সময়কে বললেন, ‘বাজেটে কী আছে, কী নেই, সেসব বুঝি না। শুধু চাই, বাজারের জিনিসপত্রের দাম কমুক। এখন পরিবার নিয়ে চলা খুব কঠিন হয়ে গেছে। আগে যে টাকায় সংসার চলত, এখন তার দ্বিগুণ লাগছে।’

একই ধরনের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন রাজধানীর শেওড়াপাড়ার স্বর্ণা বেগম। তিনি অন্যের বাসায় ছুটা বুয়া হিসেবে কাজ করেন। তার বক্তব্য হলো, ‘যে বেতন পাই, তা দিয়ে মাস চলে না। বেশি বাসায় কাজ নেব, সে উপায়ও নেই। কারণ আমার তিনটি সন্তান। তাদের বাসায় রেখে সবসময় বাইরে যেতে পারি না। আমার স্বামী অটোরিকশা চালান। তারও যে আয় হয়, বাজারে গেলে কুলায় না। আমি চাই বাজারে জিনিসপত্রের দাম যেন কমে। এ ছাড়া অন্য কিছু বোঝার দরকার নেই। দুবেলা দুমুঠো পেট পুরে খেতে পারলেই আমরা খুশি।’

ফুটপাতের ব্যবসায়ী কামাল হোসেন বলেছেন, ‘ব্যবসা আগের মতো নেই। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। পরিবার গ্রামে রেখে ঢাকায় থাকি। নিত্যপণ্যের দাম কমলে অন্তত কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত।’ নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা— এমন একটি অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন-যাপন করতে পারে।

বেসরকারি চাকরিজীবী জাহিদ হোসেন বলেছেন, আমি মাসে ৩৫ হাজার টাকা বেতন পাই। কিছুদিন আগে স্ত্রী-সন্তানকে পাবনার গ্রামে রেখে এসে মেসে থাকছি। বাজেটের পর যদি নিত্যপণ্যের দামটা কমত, তাহলে স্বস্তি পেতাম।

রাজধানীর মুদি দোকানি শহীদ বলেছেন, ‘বাজেটের খবর রাখি না। শুধু খবর নিই কোন পণ্যের দাম বাড়ল, আর কোনটার দাম কমল। সবকিছুর দাম কমলে সাধারণ মানুষের জন্যই ভালো।’

উবারচালক তৌহিদ বলেছেন, প্রতি বছর বাজেটে বিড়ি-সিগারেটের ওপর কর বাড়ানো হয়, যার প্রভাব বাজারে পড়ে। তবে এবার বাজেট ঘোষণার আগেই এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া ঠিক নয়। কেননা ‘যারা ধূমপান করেন তারা দাম বাড়লেও কিনবেন। কিন্তু বারবার দাম বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষের খরচই শুধু বাড়ে। বাজারে আগাম মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।’

প্রবৃদ্ধিমূল্যস্ফীতি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise