Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:১৬
ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

ছবি: আগামীর সময়

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের বড় রাংটিয়া এলাকায় অভিযোগ উঠেছে সরকারি বনভূমি দখল করে অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণের।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল বন বিভাগের জমি দখল করে বসতঘরসহ নির্মাণ করছে বিভিন্ন স্থাপনা। এতে সরকারি বনভূমি সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশগত ভারসাম্যও পড়ছে হুমকির মুখে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাংটিয়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ অফিসার মো. আব্দুল করিমের জ্ঞাতসারেই চলছে এসব কর্মকাণ্ড। তার নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে দখলদাররা হয়ে উঠেছে আরও বেপরোয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানালেন, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের জমি দখল করে সেখানে ঘরবাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে সরকারি সম্পত্তি বেদখল হওয়ার পাশাপাশি গারো পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, গারো পাহাড়ে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলনের পর এখন বনভূমি উজাড় করে কাঁচা ও পাকা স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে অব্যাহত রয়েছে এসব কর্মকাণ্ড।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাংটিয়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ অফিসার মো. আব্দুল করিম বলছিলেন, বন বিভাগের জমিতে স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়ে বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, অবৈধভাবে ঘর নির্মাণকারীরা আগামী দিনের মধ্যে স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ কারণে বন বিভাগ তাদের কিছু সময় দিয়েছে।

এদিকে বনভূমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, এ ধরনের দখল ও নির্মাণকাজ অব্যাহত থাকলে সরকারি বনভূমি যেমন হারিয়ে যাবে, তেমনি বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশও মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।


শেরপুরঝিনাইগাতিগারো পাহাড়সরকারি বনভুমি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise