বিশল্যকরণী, নাগেশ্বর কর্পূরসহ ২০০০ প্রজাতি

বাড়ির প্রবেশপথ পেরোতেই চোখে পড়ে সারি সারি গাছ। কোথাও বাসক, কোথাও অশ্বগন্ধা। গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত নাজমীন আক্তার। পাশে জৈব সার মেশানো মাটি তৈরি করছেন তার স্বামী আইয়ুব আলী। তাদের বাড়ির আঙিনায় গড়ে উঠেছে ২ হাজার প্রজাতির ১০ হাজারের বেশি ঔষধি গাছের সংগ্রহশালা; নাম জিনিয়া ঔষধি বাগান। খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের কাতিয়ানআংলা গ্রামে প্রায় ১ একর ১৫ শতক জমিতে গড়ে উঠেছে বাগানটি। ঔষধি উদ্ভিদ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের এ উদ্যোগ এখন দম্পতির জীবিকার উৎস।
জিনিয়া ঔষধি বাগানে রয়েছে বিশল্যকরণী, নাগেশ্বর, কর্পূর, শ্বেত জয়ন্তী, অশোক, জয়ন্তী, অশ্বগন্ধা, সর্পগন্ধা, হলুদ বাসক, শ্বেত পলাশ, লজ্জাবতী, বিলিম্বিসহ নানা প্রজাতির উদ্ভিদ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, বাগান থেকে প্রতি মাসে আয় হয় ৩৫-৪০ হাজার টাকা। কবিরাজরা তাদের প্রধান ক্রেতা। পাশাপাশি বিভিন্ন নার্সারির মালিকরাও এখান থেকে চারা কেনেন।
কৃষিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৫ সালে খুলনা বিভাগে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছিলেন নাজমীন আক্তার। পরের বছর বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেছিলেন তিনি।



