Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

অনলাইনে শেখা আঙুর চাষে সফল তরুণ মোকছেদুল

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ১৮:৩৯
অনলাইনে শেখা আঙুর চাষে সফল তরুণ মোকছেদুল

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

মোবাইল ফোনের ছোট্ট পর্দাতেই খুলেছিল নতুন এক স্বপ্নের দুয়ার। ইউটিউবের ভিডিও আর ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ঘেঁটে আঙুর চাষের খুঁটিনাটি শিখেছিলেন মোকছেদুল ইসলাম। সেই শেখা থেকেই আজ তিনি সফল এক আঙুরচাষি। তার বাগানের মাচা জুড়ে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে টসটসে রঙিন আঙুর।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়ি গ্রামের পাকা সড়কের পাশেই মোকছেদুল ইসলামের আঙুর বাগান। বাড়ির সামনেই টাঙানো একটি সাইনবোর্ড যেন জানান দিচ্ছে, স্বপ্ন দেখলে সফলতা ধরা দেয়। এ বছরই বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ শুরু করেছেন তিনি।

মাত্র ১৪ শতাংশ জমিতে ২০ জাতের প্রায় ১৮০টি আঙুর গাছ রোপণ করেছেন মোকছেদুল। বাগানে রয়েছে বাইকুনুর, ভ্যালেজ, গ্রিন লং, ডিক্সন, একেলো, সামার ব্ল্যাক ও ব্ল্যাক রুবিসহ নানা বিদেশি জাতের আঙুর। গাছগুলোয় এখন দৃষ্টিনন্দন ফলের সমারোহ।

মোকছেদুল জানান, ২০২২ সালে শখের বসে প্রথম দুটি আঙুর গাছ লাগান তিনি। সেই গাছে ফল ধরলেও কাঙ্ক্ষিত মিষ্টতা পাননি। এরপরই শুরু হয় তার অনুসন্ধান। ইউটিউব আর ফেসবুকে বিভিন্ন আঙুরচাষিদের ভিডিও ও পরামর্শ দেখতে দেখতে ধীরে ধীরে শিখে ফেলেন চাষের কৌশল, পরিচর্যা আর ফলের মান উন্নয়নের নানা পদ্ধতি।

তিনি বলেছেন, ‘বিদেশি চাষিদের প্রযুক্তি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। বিশেষ করে, ইউটিউবে একজন ইন্দোনেশিয়ান বাগানির ভিডিও দেখে চারা উৎপাদনের কৌশল রপ্ত করেন। পরে নিজেই চারা তৈরি শুরু করেন এবং সেই চারা দিয়েই গড়ে তোলেন বাণিজ্যিক বাগান।’

এই স্বপ্নপূরণে পথটা অবশ্য সহজ ছিল না। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করে ধীরে ধীরে টাকা জমিয়েছেন মোকছেদুল। এখন পর্যন্ত আঙুর চাষে তার ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩ লাখ টাকা।

তবে সেই পরিশ্রম এখন সফলতার মুখ দেখাচ্ছে। তিনি আশা করছেন, প্রতি কেজি আঙুর ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করে অন্তত দেড় লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি প্রতিটি চারা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা থেকেও ভালো আয় আসছে।

তবে আঙুর চাষে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। মোকছেদুল জানান, ফল পাকার সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে আঙুরে পচন ধরে। বিদেশে পলি নেট ব্যবহার করে যেভাবে আঙুর রক্ষা করা হয়, সেই প্রযুক্তি দেশে ব্যবহার করা গেলে আরও ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।

স্থানীয়দের কাছেও এখন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে তার বাগান। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ বাগান দেখতে আসছেন। কেউ কিনে নিচ্ছেন টাটকা আঙুর, কেউ আবার সংগ্রহ করছেন চারা।

ইসলামী ফাউন্ডেশনের কর্মচারী শহিদুল ইসলাম বাগান দেখতে এসে বলেছেন, ‘ক্ষেত থেকে আঙুর খেয়ে দেখলাম, অনেক সুস্বাদু ও মিষ্টি। পরিবারের জন্য এক কেজি আঙুরও কিনে নিয়েছি।’

ভালুকা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রাশেদুজ্জামান বলেছেন, ‘তরুণ উদ্যোক্তা মোকছেদুল ইসলামের বাগানে বেশ ভালো ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে তাকে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভালুকার মাটি ফল চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে আঙুর চাষের সম্ভাবনাও উজ্জ্বল।’

একসময় মোবাইলের পর্দায় অন্যের সফলতা দেখতেন মোকছেদুল। আর এখন তার নিজের বাগানই হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার গল্প।

মোকছেদুলঅনলাইনআঙুর চাষস্পেশাল-১
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise