Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ধান আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রান্তিক কৃষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫১
ধান আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রান্তিক কৃষকরা

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে এখন পুরোদমে চলছে বোরো মৌসুম, যার সেচ কার্যক্রম পুরোপুরি জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎনির্ভর। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের হাহাকার অবস্থা তৈরি হওয়ায় আবাদ নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় যশোরের বোরো চাষিরা।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এখনো সরাসরি বাংলাদেশে লাগেনি। কেননা সরকার বর্তমানে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এই ভর্তুকি বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না এবং তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হবে কি না তা নিয়ে কৃষকদের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম শঙ্কা। বিশেষ করে ডিজেলের সংকট বা দাম বাড়লে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়বে ধানের উৎপাদনে।

যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৫৭ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে। জেলার প্রতিটি উপজেলায় এখন ধান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। অধিকাংশ জমিতে চারা রোপণ শেষ, এখন প্রয়োজন নিয়মিত সেচ।

কেশবপুরের গোপসেনা গ্রামের কৃষক সালাম ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামের কৃষক হামিদ শেখ বলছিলেন, সরকারের সদিচ্ছায় সারের অভাব নেই, কৃষি অফিসও সহায়তা করছে। সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে বলে এখনো তেল পাচ্ছি। কিন্তু যুদ্ধ লেগে যদি ডিজেল আসা বন্ধ হয়ে যায়, তবে সব শেষ হয়ে যাবে। সেচ দিতে না পারলে বোরো আবাদ মাঠেই মারা যাবে।

৩ বিঘা জমিতে আবাদ করা কৃষক আনসার আলী জানান, উৎসবমুখর পরিবেশে ধান লাগালেও এখন ডিজেল সংকটের ভয়ে আছি। যশোরের কৃষকরা এখন আকাশের দিকে নয়, বরং তাকিয়ে আছেন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের দিকে। আমাদের আশঙ্কা, বৈশ্বিক এই তেলের লড়াই শেষ পর্যন্ত না আমাদের ভাতের থালায় টান না ফেলে।

বোরো মৌসুমকৃষকমধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise