আগামীর সময়

নেশার টাকার জন্য শ্বশুরের বাসায় চুরি, গ্রেপ্তার বাবা-ছেলে

নেশার টাকার জন্য শ্বশুরের বাসায় চুরি, গ্রেপ্তার বাবা-ছেলে

সংগৃহীত ছবি

শ্বশুর বাড়িতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা স্বর্ণলংকার চুরি করার অভিযোগে বাবা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আটককৃতরা হলেন, ময়মনসিংহের গফরগাঁও এর মধ্যবাজার এলাকার বরুণ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) ও তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় বছর দেড় এক আগে মদন উপজেলার অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়ে কে বিয়ে করে বরুনের চন্দ্র কর্মকারের ছেলে তরুণ । বিয়ের দুই মাস পরেই তরুণ তার স্ত্রী ও পিতাকে নিয়ে শ্বশুরালয় মদন চলে আসে। কিছুদিন পরেই শ্বশুরের বাসার পাশে শ্যামলী রোড এলাকায় অণু মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। তরুণের পিতা মদন পৌরসভার মাতৃ জুয়েলার্স নামক একটি দোকানে কাজ করে।

প্রায় এক সপ্তাহ আগে নেশার টাকার জন্য তরুণ ও তার বাবা বরুণ মিলে শ্বশুর অমূল্যর বাসা থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকা স্বর্ণলংকার চুরি করে নিয়ে যায়। সোমবার ভোররাতে পুনরায় নেশার টাকার জন্য শ্বশুরের ঘরে স্বর্ণলংকার আনতে গেলে ধরা পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায় এবং স্বর্ণলংকার নেওয়ার বিষয়টি বাবা-ছেলে দুজনই স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে বরুণ চন্দ্র কর্মকার বলছিলেন, টাকার চাপ ছিল। তাই স্বর্ণলংকার নিয়ে বিক্রি করে দিছি। এটা করা আমাদের ঠিক হয়নি।

তরুণ চন্দ্র কর্মকার বলছিলেন, আমি আগে নেশা করতাম, কিন্তু এখন আর খাই না। আমার বাবা শ্বশুরের ঘর থেকে স্বর্ণলংকার চুরি করছে আরও এক সপ্তাহ আগে। এটা করা আমাদের ঠিক হয়নি।

‘আমার মেয়ের জামাই নেশাগ্রস্ত। বিয়ের পর মেয়ের অলঙ্কার সব বিক্রি করে দিছে৷ এখন আবার নেশার টাকার জন্য বাবা-ছেলে মিলে আমার ঘরের স্বর্ণলংকার চুরি করে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। আমি থানায় মামলা করবো’ বলে জানাচ্ছিলেন, অমূল্য চন্দ্র দাস।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলছিলেন, এই ঘটনায় পিতাপুত্র দুইজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শেয়ার করুন: