কেরানীগঞ্জ ও কদমতলীতে অভিযান, ৩ জনকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

সংগৃহীত ছবি
ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও কদমতলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আলাদা তিন ব্যক্তিকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় বিপুল পরিমাণ নকল ও ভেজাল খাদ্যপণ্য ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি জব্দ করা হয় প্রায় ১ হাজার ৭৭৮ কেজি তামার তার।
মঙ্গলবার র্যাব-১০-এর সহযোগিতায় র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত হয় এসব অভিযান।
র্যাবের ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক অপরাধ, ভেজাল ও নকল পণ্য উৎপাদন এবং প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে চালানো হচ্ছে নিয়মিত অভিযান। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর কদমতলী থানার সবুজবাগ এলাকায় পরিচালনা করা হয় একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানকালে বাংলাদেশ মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ছাড়া এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন নামী প্রতিষ্ঠানের মোড়ক ব্যবহার করে নকল ও ভেজাল খাদ্যপণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শাক্তা এলাকার মো. শাহিন রেজা (৪১) এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার দক্ষিণপাড়া এলাকার মো. ইদ্রিস আলীকে (৫৭) দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয় মোট চার লাখ টাকা। একই সঙ্গে জব্দ করে ধ্বংস করা হয় বিপুল পরিমাণ নকল খাদ্যপণ্য।
একই দিনে কদমতলী এলাকার পূর্ব জুরাইনে পরিচালিত আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালতে অবৈধভাবে তামার তার উৎপাদনের দায়ে মো. তারেকুল ইসলামকে (৪৬) জরিমানা করা হয় দুই লাখ টাকা। এ সময় তার কারখানা থেকে জব্দ করা হয় প্রায় ১ হাজার ৭৭৮ কেজি তামার তার।
র্যাব জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজাল, নকল ও প্রতারণামূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বাহিনীটি এ ধরনের অপরাধ দমনে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করে গ্রহণ করবে কঠোর ব্যবস্থা।
র্যাব-১০-এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।




