যেকোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব : মির্জা ফখরুল

বক্তব্য দিচ্ছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছবি : আগামীর সময়
স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি, জেল খেটেছি। তবু মাথা নোয়াইনি। প্রথমে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছি। এখন একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন করে বাংলাদেশ গড়ে তোলার সময় এসেছে।
আজ শনিবার বিকালে লালমনিরহাটের এমটি হোসেন মাঠে আলোকিত লালমনিরহাট'র গণজাগরণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বললেন, বাংলাদেশ বিনির্মাণের সেই আন্দোলন আজ আসাদুল হাবিব দুলুর নেতৃত্বে আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। মাদকের আগ্রাসনে আমাদের সমাজ আজ পরাজিত। মাদকের আগ্রাসনে যুবকরা তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। তা আমরা হতে দিতে পারি না। আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সেই সামাজিক আন্দোলন আজ দুলুর নেতৃত্বে শুরু হয়েছে।
মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, আপনারা মাদককে না বলবেন, যৌতুককে না বলবেন, জুয়াকে না বলবেন। ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই, যে আন্দোলন করেছেন তা আজ সফলের পথে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করব। যার মধ্য দিয়ে তিস্তাপাড়ের মানুষের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত সূচিত হবে।
সরকারের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে মির্জা ফখরুলের ভাষ্য, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম মুয়াজ্জিনের বেতন-ভাতাসহ অনেক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সব মিলে আমরা একটা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই।
আলোকিত লালমনিরহাটের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
আলোকিত লালমনিরহাটের সভাপতি জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ হাসান, লালমনিরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট ১ আসনের সংসদ সদস্য হাসান রাজিব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক প্রমুখ।




