ঈদ শেষে দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বারখ্যাত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে বেড়েছে ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি।
আজ সোমবার সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, মাইক্রোবাস, মাহিন্দ্র ও মোটরসাইকেলে যাত্রীরা দৌলতদিয়া ঘাটে এসে ফেরি ও লঞ্চে পদ্মা নদী পার হচ্ছেন। অনেক পরিবহন সরাসরি যাত্রী নিয়ে নদী পার হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঘাট এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়লেও পারাপার কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। ছোট যানবাহনের মধ্যে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসের সংখ্যা ছিল বেশি। ঈদে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের উপস্থিতিতে সকাল থেকেই ঘাট এলাকায় ছিল কর্মচাঞ্চল্য।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঈদ-পরবর্তী যাত্রীচাপ সামাল দিতে ঘাট কর্তৃপক্ষ আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রতিটি বাসের যাত্রীদের নামিয়ে ফাঁকা বাস ফেরিতে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে।
মেহেরপুর থেকে গাজীপুরগামী যাত্রী মাহফুজুর রহমান জানান, ঈদের আগে যেমন দীর্ঘ যানজট বা ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি, ফেরার পথেও তেমন কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। এবারের ঈদযাত্রা বেশ স্বস্তিদায়ক।
কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী কারখানাশ্রমিক সোহান মণ্ডল বলেছেন, ‘ঈদে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। ছুটি শেষে স্ত্রীকে নিয়ে আবার ঢাকায় ফিরছি। ঘাটে মানুষের ভিড় থাকলেও তেমন কোনো ভোগান্তি নেই।’
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন, ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষ ও যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে। তবে দৌলতদিয়া প্রান্তে যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় ১৫টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ চলাচল করছে।




