এসিআর নম্বর বদলে বিপাকে পটুয়াখালীর ৬ ভূমি কর্মকর্তা

পটুয়াখালী ভূমি অফিস। ছবি: সংগৃহীত
বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) নাম্বর পরিবর্তনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শাস্তির মুখে পড়েছেন পটুয়াখালীর ছয় ভূমি কর্মকর্তা। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় তাদের ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি শাস্তির মেয়াদে পদোন্নতির জন্যও বিবেচিত হবেন না তারা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব ও সহকারী কমিশনার তালুকদার মো. ইনতেজার।
তিনি জানান, বিভাগীয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দিয়েছেন।
শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তা, একই উপজেলার গলাচিপা ইউনিয়নের আ ন ম মুরাদুল ইসলাম, পটুয়াখালী সদর উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের মংলাতেন, বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের মো. আল কাইয়ুম, রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের মো. আবু জাফর এবং দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের মো. তারিকুল ইসলাম।
বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় জানায়, অভিযুক্ত ছয় কর্মকর্তার ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শাস্তির মেয়াদে তারা কোনো পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন না। তাদের সার্ভিস বইয়েও শাস্তির আদেশ লিপিবদ্ধ থাকবে।
পটুয়াখালীর ওই ছয় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সালের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) প্রতিস্বাক্ষরকারী কর্মকর্তার দেওয়া নাম্বর অনুমোদন ছাড়াই পরিবর্তনের অভিযোগ ওঠে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধির লঙ্ঘন।
অভিযোগের ভিত্তিতে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। পরে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়।
বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বললেন, সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।







