গণঅভ্যুত্থানে ১০ হত্যার অভিযোগ, শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিচার শুরু

গণঅভ্যুত্থানে ১০ হত্যার অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিচার শুরু হয়েছে। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলের সামনে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। এরপর শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।
এদিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় গুলিতে নিহত আবুল হাসান স্বজনের বড়ভাই মো. আবুল বাশার অনিক আদালতে জবানবন্দি দেন।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, শামীম ওসমানের শ্যালক তানভীর আহমেদ টিটু, সাংবাদিক রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, মহানগর যুবলীগের সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সোহানুর রহমান শুভ্র।
এর আগে ১৩ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে ১২ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাঢ়া ও ফতুল্লার সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাক শ্রমিক রাসেল এবং ছয় বছরের শিশু রিয়াসহ ছয়জনকে হত্যা করা হয়।
দ্বিতীয় অভিযোগে ২১ জুলাই ফতুল্লার ভূইগড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিব এবং তৃতীয় অভিযোগে ৫ আগস্ট বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন। তবে সব আসামি পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই চলছে বিচারকাজ। তাদের বিরুদ্ধে আগেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।




