আ.লীগ নেতার লাঠির আঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু

মিজান মিয়ার মৃত্যুর সংবাদে হাসপাতলে আসে পুলিশ
নরসিংদীর মনোহরদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বড়চাপা পূর্বপাড়ার সফুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ছিলেন।
আর অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ (৬৫) একই এলাকার সুন্দর আলীর ছেলে। তিনি ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি। এ ঘটনায় তার ছেলে জীবন মিয়াও জড়িত বলে জানা গেছে।
মৃত মিজান মিয়া ও অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নিহতের স্বজনরা জানান, বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বড়চাপা পূর্বপাড়ার মিজান ও চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ দরবার হলেও শহীদুল্লাহ তা মেনে নেননি।
আজ শনিবার দুপুরে রাস্তায় থাকা একটি গাছ কাটতে যান মিজান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। তখন শহীদুল্লাহ ও তার ছেলে জীবন লাঠি নিয়ে এসে মিজানকে মাথায় আঘাত করে। এতে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বজনরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেছেন, দুপুরে মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেছি। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর বলা যাবে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেছেন, চাচা ভাতিজার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ সুরতাল করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।








