Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

সুন্দরগঞ্জ

ভুল আগাছানাশকে জমির ফসল নষ্ট, ক্ষতিপূরণ চান কৃষক

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ২০:২৫
ভুল আগাছানাশকে জমির ফসল নষ্ট, ক্ষতিপূরণ চান কৃষক

ছবি: আগামীর সময়

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ধানক্ষেতে আগাছা দমনের জন্য কীটনাশকের দোকান থেকে ওষুধ কিনে প্রয়োগের পর ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ করেছেন কৃষক কামরুজ্জামান।

এ ঘটনায় প্রতিকার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

কামরুজ্জামান উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামের আব্দুর জব্বার সরকারের ছেলে। অভিযুক্ত কীটনাশক বিক্রেতা মাহাবুর মিয়া একই ইউনিয়নের বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের নয়া মিয়ার ছেলে।

কৃষক কামরুজ্জামানের অভিযোগ, ধানক্ষেতে আগাছা দেখা দেওয়ার পর তিনি কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে কর্মকর্তাকে না পেয়ে বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের মাহাবুর মিয়ার কীটনাশকের দোকানে যান। সেখানে ধানক্ষেতের আগাছা দমনের জন্য ওষুধ চাইলে দোকানদার তাকে ‘এরাক্সন ২০০ এসএল’ নামের ১০০ মিলিলিটারের একটি ওষুধ দেন।

দোকানদারের পরামর্শ অনুযায়ী গত ১৩ আগস্ট ওষুধ ধানক্ষেতে প্রয়োগ করেন কামরুজ্জামান। তার দাবি, ওষুধ প্রয়োগের পরদিন থেকেই ধানের চারা মরে যেতে শুরু করে। পরে বিষয়টি কৃষি কর্মকর্তাকে জানালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত জমি পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান

২১ আগস্ট ২০২৬

কামরুজ্জামান জানালেন, ধানক্ষেতের আগাছা দমনের জন্য ওষুধ চেয়েছিলাম। দোকানদারের পরামর্শে ওষুধ কিনে জমিতে প্রয়োগ করি। পরদিন দেখি ধানের চারা মরে যাচ্ছে। এখন আমার ১৫ শতক জমির প্রায় সব ধানই নষ্ট হয়ে গেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কীটনাশক বিক্রেতা মাহাবুর মিয়ার দাবি, ওষুধ দিতে ভুল করিনি। কারণ সে আমার কাছ থেকে খাওনা বাড়ির (ফাঁকা জমি) ঘাস মারার কথা বলে ওষুধ নিয়েছিল।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. এরশাদ মিয়া বলেন, বিষয়টি জানার পর ধানক্ষেত পরিদর্শন করেছি। সব ধানের চারা মারা গেছে। এ নিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেছি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী জানালেন, অসুস্থতার কারণে তিনি ওই সময় অফিসে যেতে পারেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, অভিযোগ এখনো আমার কাছে আসেনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুল আগাছাসুন্দরগঞ্জ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise