Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

হাম পরিস্থিতি

বান্দরবানে সব সরকারি অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট!

মনু ইসলাম, বান্দরবান
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৪
বান্দরবানে সব সরকারি অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট!

বান্দরবান সদর হাসপাতালের বিশেষায়িত হাম ইউনিটে চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশু রোগী ও তার উদ্বিগ্ন মা -আগামীর সময়

গত ২৭ জুলাই অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে দেরি হওয়ায় হামে আক্রান্ত একটি খুমি শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর জানা যায়, জেলার সবকটি সরকারি অ্যাম্বুলেন্সই নষ্ট হয়ে পড়ে আছে।

এরপর ‘বান্দরবান জেলায় হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে’ জানিয়ে বান্দরবানের সিভিল সার্জন শাহীন চৌধুরী বলেছেন, ‘গত তিন দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আর কোনো শিশুর মৃত্যু ঘটেনি। নষ্ট হয়ে পড়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্সগুলো জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস গত বৃহস্পতিবার অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে শিশুটিকে চট্টগ্রাম নিতে দেরি হওয়ার বিষয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদকে চিঠি লেখেন। চিঠির পর সিভিল সার্জন অফিসে জরুরি সভার আয়োজন করে জেলা পরিষদ। সভায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিকল অ্যাম্বুলেন্সগুলো মেরামত এবং একটি প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখার ব্যবস্থা করা হয়। জানতে চাইলে গত বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রফেসর থানজামা লুসাই বললেন, ‘সরকারিভাবে প্রতিটি অ্যাম্বুলেন্স মেরামতের জন্য বছরে ১ লাখ টাকা করে বরাদ্দ থাকে। এর পরও কেন অ্যাম্বুলেন্সগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ তিনি জানালেন, কর্মচারীর পদ শূন্য থাকার কথা জানতে পেরে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে অস্থায়ী ভিত্তিতে ৪০ জন কর্মচারী দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগকে। জেলা পরিষদ এ খাতে বছরে ৭২ লাখ টাকার জোগান দিচ্ছে।

সিভিল সার্জন শাহীন চৌধুরী জানালেন, গত কয়েক বছর ধরে হামের টিকা কর্মসূচি বন্ধ থাকা, দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীদের যাতায়াত সমস্যার চ্যালেঞ্জের কারণে কাজে শিথিলতা এবং ম্রো, খুমিসহ প্রান্তিক পর্যায়ে বসবাসকারী পাহাড়ি জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কুসংস্কার ও টিকা না নেওয়ার অভ্যাসটি হাম ছড়িয়ে পড়ার কারণ বলে আমরা মনে করি। স্থানীয় নয়লো খুমি অভিযোগ করেন, হাম প্রতিরোধে বিশেষ ক্যাম্প পরিচালনার তথ্য দিচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু রোগীদের জন্য বাড়তি চিকিৎসা ব্যবস্থা ও তাদের স্থানান্তরের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের জোগান দিতে পারছে না জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। আলীকদম, লামা, থানচি ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় হাম পরিস্থিতির উন্নতি হলেও রুমা উপজেলায় গত ২৫ দিনে আক্রান্ত হয়েছে ২০০-এরও বেশি শিশু। রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. আবদুল্লাহ আল হাসান জানিয়েছেন, আমাদের কাছে হাম আক্রান্ত শিশু এসেছে ১১০ জন। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানতে পেরেছি, হামের উপসর্গ নিয়ে তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বান্দরবান জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত জেলায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৪১৯ শিশু। মারা গেছে মোট পাঁচজন— আলীকদমে দুই এবং রুমায় তিন শিশু।

সিভিল সার্জন জানালেন, হামে আক্রান্ত হয়ে ২৯ জুলাই বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে ৪০ জন। হামপ্রবণ এলাকাগুলোতে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বান্দরবানঅ্যাম্বুলেন্সসরকারি অ্যাম্বুলেন্সহাম পরিস্থিতি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise