Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রুবেলের উদ্যোগে ১৩০০ মানুষের কর্মসংস্থান
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

মাথা গোঁজার ঠাঁই মিললেও কাটেনি জীবিকার সংকট

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:১৯
মাথা গোঁজার ঠাঁই মিললেও কাটেনি জীবিকার সংকট

খাগড়াছড়ি পৌরসভার রসুলপুরের আবাসন প্রকল্পের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এক নারী। ছবি: আগামীর সময়

খাগড়াছড়ি পৌরসভার তত্ত্বাবধানে ২০২৫ সালের নভেম্বরে জেলা সদরের শালবন এলাকার রসুলপুরে চালু করা হয় একটি আবাসন প্রকল্প। সেখানে ৬০টি দুস্থ পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেও জীবিকার সংকট কাটেনি।

প্রকল্পে আশ্রয় পাওয়া পরিবারগুলোর কেউ প্রতিবন্ধী, কেউ বিধবা। অধিকাংশই দিনমজুর ও নিম্নবিত্ত পরিবারের। শহর থেকে দূরে হওয়ায় কাজের সুযোগ কম। অন্যদিকে, রান্না ও আয়বর্ধক কাজের নানা সীমাবদ্ধতায় পরিবারগুলোকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুরে প্রায় দুই একর জায়গার ওপর একটি টিলায় আবাসন প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে আছে ১৫টি দোতলা ভবন। প্রতিটি ভবনে চারটি করে ফ্ল্যাট।

প্রতিটি ফ্ল্যাটে দুটি শয়নকক্ষ, একটি বসার ঘর, একটি রান্নাঘর ও একটি বাথরুম। মোট ৬০টি পরিবারকে এসব ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পে একটি কমিউনিটি সেন্টার, যৌথ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও একটি সুইমিং পুল রয়েছে। তবে সুইমিং পুলটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো পড়ে আছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, আবাসন প্রকল্পটি পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি। পুনর্বাসিত পরিবারের অধিকাংশ পুরুষ কাজে বাইরে ছিলেন। প্রকল্পের খোলা জায়গায় বসে ছিলেন কয়েকজন গৃহবধূ। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আবাসন মিললেও জীবিকার নানা সংকটে আছেন তারা।

আবাসন প্রকল্পে বরাদ্দ পাওয়া শারীরিক প্রতিবন্ধী লাকি আক্তার (৩৫) জানালেন, মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়ায় তিনি খুশি। নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও মোটামুটি ভালোই দিন কাটছে। তার বাবা নেই। মা ও ছোট বোনকে নিয়ে তিনজনের সংসার তার।

গৃহবধূ সাফিয়া খাতুন জানালেন, প্রকল্পে বসবাসকারী নারীদের অন্যতম বড় সমস্যা রান্না। ভবনের ভেতরে লাকড়ির চুলায় রান্না করা নিষেধ। অথচ গ্যাসের চুলায় রান্না করার সামর্থ্য অনেক পরিবারের নেই।


আরও পড়ুন

স্বর্ণালী আবাসন প্রকল্পে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত

১০ জুন ২০২৬

তিনি আরও জানালেন, আগের বসতভিটায় ঘরবাড়ি ভাঙাচোরা থাকলেও হাঁস-মুরগি পালন ও বাড়ির আঙিনায় শাকসবজি চাষ করে পরিবারের আয় কিছুটা বাড়ানো যেত। এখানে সে সুযোগ নেই। আবাসন প্রকল্পটি শহর থেকে দূরে হওয়ায় বাইরে কাজের সুযোগও কম। বিশেষ করে যেসব পরিবারের পুরুষ সদস্যরা কাজ করতে পারেন না, সেসব পরিবারে আর্থিক সংকট আরও তীব্র।

আবাসন প্রকল্প পরিচালনার জন্য একটি কমিটি আছে। কমিটির সভাপতি মো. ভুট্টো মিয়া জানান, প্রকল্পটি পৌরসভা বাস্তবায়ন করলেও বর্তমানে পৌরসভা তাদের কোনো সহযোগিতা করে না। শুধু নির্দিষ্ট সময় পরপর ময়লা-আবর্জনা নিয়ে যায়।

লাকড়ির চুলায় রান্না করতে না দেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, ভবনের পরিচ্ছন্নতা ও অগ্নিনিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জহির জানিয়েছেন, পুনর্বাসন এলাকাটি তুলনামূলক ছোট। অল্প জায়গায় অনেক পরিবার বসবাস করায় হাঁস-মুরগি পালনের অনুমতি দিলে ঝগড়া-বিবাদ বাড়তে পারে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়ে তিনি উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানালেন, নারীদের সেলাই, বেতের কাজসহ বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। প্রশিক্ষণের পর কমিউনিটি সেন্টারে বসে তারা এসব কাজ করতে পারবেন। এতে পরিবারের আয় বাড়াতে সহায়তা হবে।

পৌরসভার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, পুনর্বাসিত পরিবারগুলো নিজেদের উন্নতির জন্য আরও উদ্যোগী হতে পারে। পৌরসভা তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছে। এখন পরিবারগুলোরও নিজেদের জীবিকা ও উন্নতির পথ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করা প্রয়োজন।

আবাসন প্রকল্পখাগড়াছড়ি পৌরসভাসংকট
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    ইয়েতির হাত!

    ইয়েতির হাত!

    সবাইকে জামিন দিক, আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক

    সবাইকে জামিন দিক, আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে যুবককে মারধর

    কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে যুবককে মারধর

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    মোবাইলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

    মোবাইলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ১২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ১২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে