প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
দুর্গাপূজায় প্রত্যাশা অনুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে সরকার

প্রতিমা বিসর্জনের আগে টাঙ্গাইল শহরেরপূজামণ্ডপে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
দুর্গাপূজায় সরকার প্রত্যাশা অনুযায়ী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের আগে টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও বিসর্জনস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দিরে পূজারিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বললেন, ‘এবারের দুর্গাপূজায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো ছিল। মানুষ আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করেছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ বছর দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সরকারি অনুদানের পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ জন্য তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি কথা বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা বাস্তবায়ন করেন। এবারের দুর্গাপূজায় সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে এর প্রতিফলন ঘটেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনেকে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন। বর্তমানে জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি তাদের আস্থা ও প্রত্যাশা রয়েছে। বিগত নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিয়ে তারা যে প্রত্যাশা করেছিলেন, সরকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে তা পূরণ করতে পেরেছে। এ জন্য তারা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সবার সহযোগিতা নিয়ে টাঙ্গাইল থেকে মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা দূর করতে কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে ভালো সাড়া পেয়েছি। সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই। মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে আগামী দিনগুলোতে আমাদের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া, কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দিরের সভাপতি স্বপন ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী ও জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জী।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



