কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১

পুলিমের ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার শান্ত। ছবি: আগামীর সময়
পিরোজপুরের কাউখালীতে নৌ পুলিশের টহল দলের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এক পুলিশ কনস্টেবল ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন। নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জসহ আরও পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মো. শান্ত (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপজেলার আমরাজুড়ি ইউনিয়নের কুমিয়ান এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ পন্টুনসংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, নিয়মিত টহল শেষে নৌ পুলিশের একটি দল ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট এলাকায় গোপাল স্টোরের সামনে ফুট পেট্রোল করছিল। এ সময় মো. শান্ত নামে এক যুবক পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে গালিগালাজ করতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা এর কারণ জানতে চাইলে তাকে নিয়ে তর্ক শুরু হয়।
খবর পেয়ে কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আরমান হোসেন ঘটনাস্থলে গেলে শান্ত ও তার সহযোগীরা বাঁশের লাঠি, ইট ও ধারালো চাকু নিয়ে নৌ পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় কনস্টেবল মো. জাকির হোসেনকে চাকু ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
জাকির হোসেনকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আরমান হোসেন, এসআই প্রসেনজিত দেবনাথ, কনস্টেবল শ্যামলেশ কুমার মণ্ডল, কনস্টেবল মো. সাকির হোসেন ও কনস্টেবল মো. পারভেজ শিকদারও হামলার শিকার হন।
পরে খবর পেয়ে কাউখালী থানা পুলিশ আহত নৌ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আরমান হোসেন বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশ সদস্যদের মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কাউখালী থানায় মামলা করেছেন।
পরে অভিযান চালিয়ে মো. শান্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কাউখালী থানার ওসি (তদন্ত) এবাদ আলী মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার শান্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত।







