Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

সাতক্ষীরায় হঠাৎ কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৬
সাতক্ষীরায় হঠাৎ কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সাতক্ষীরায় হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । ঝড়ের তাণ্ডবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বসতবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, উপড়ে পড়েছে গাছপালা এবং অনেক পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। গতকাল রবিবার (২৯ মার্চ) রাত ১০টার দিকে আকস্মিক এ ঝড় শুরু হয়। প্রবল দমকা হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে মুহূর্তেই জনজীবনে নেমে আসে দুর্ভোগ।

জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় টিনের ঘরবাড়ির চাল উড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কোথাও কোথাও বড় গাছ ও ডালপালা ভেঙে সড়কের ওপর পড়ে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এছাড়া কিছু এলাকায় বিদ্যুতের তারের উপর গাছের ডাল ভেঙে পড়ায় অনেক এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। শহরের সুলতানপুর এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। সেখানে অন্তত ১৫টি ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। এতে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

‘ঝড়টা হঠাৎ করে শুরু হলো, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘরের চাল উড়ে গেল। এখন ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে আছি। কোথায় যাবো বুঝতে পারছি না— বলছিলেন মিনা খাতুন।

একই এলাকার জবেদা খাতুন বলছিলেন, ‘রাতের ঝড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। ঘরের চাল নেই, ভেতরের জিনিসপত্রও নষ্ট হয়ে গেছে। এখন থাকার মতো কোনো জায়গা নেই।’

বিউটি খাতুন জানান, ‘শিলাবৃষ্টির সঙ্গে ঝড় এত জোরে ছিল যে ঘর ধরে রাখা যায়নি। আমরা প্রাণ নিয়ে বের হতে পেরেছি, কিন্তু ঘর আর কিছুই রইল না।’

এরশাদ হোসেন নামের এক বাসিন্দা বলছিলেন, ‘গাছ ভেঙে ঘরের ওপর পড়েছে। টিন উড়ে গেছে, সবকিছু তছনছ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।’ এছাড়া শিলাবৃষ্টির কারণে আম ও কৃষি জমির ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয়রা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা ও সরকারি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্নব দত্ত জানান, রাত থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য এসেছে। তবে এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঝড়কালবৈশাখী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise