Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

‘হামার যখন বেচা শেষ হবে, তখন ধান কিনবে সরকার’

  • ‘দাম কম শুনিয়া কামোত মন বইসে না’
  • ধানের দাম কমেছে মণপ্রতি ২০০-৩০০ টাকা
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ২১:৫৫
‘হামার যখন বেচা শেষ হবে, তখন ধান কিনবে সরকার’

ছবি: আগামীর সময়

‘কৃষানির গাহে গহেনা পরায় নতুন ধানের কুটো; এত কাজ তবু হাসি ধরেনাক, মুখে ফুল ফুটো ফুটো’— পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কবিতায় আঁকা সেই সুখময় গ্রামীণ জীবনের চিত্র এখন ম্লান। ধানের বর্তমান বাজারদরে হতাশ রাজারহাটের কৃষকরা। গত বছরের তুলনায় দাম কমেছে মণপ্রতি ২০০-৩০০ টাকা।কৃষকরা অভিযোগ করছেন, প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ ১ হাজার টাকারও বেশি। অথচ বাজারে সেই ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি। বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের। উপজেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেল এমন চিত্র।

উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চেতনা গ্রামের কৃষক জিয়াউর রহমান (৫০)। জানালেন, এক বিঘা জমি বর্গা নিয়ে ব্রি-৭৪ জাতের ধান চাষ করেছেন। বীজ বপন, জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, শ্রমিক, সেচ, সার, কীটনাশক, ধান কাটা-মাড়াই ও শুকানোসহ মোট খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। ফলন পেয়েছেন ২০ মণ। এর মধ্যে জমির মালিককে দিতে হচ্ছে ১০ মণ। বাকি ১০ মণের বর্তমান বাজারদর মাত্র ৮ হাজার টাকা। প্রায় ৫ হাজার টাকা লোকসান।নাজিমখান ইউনিয়নের রনজিতেশ্বর গ্রামের কৃষক মোস্তাফিজার রহমান (৬২) বলছিলেন, ‘জমি আবাদ করে ট্রিলার, পানি আর কামলার খরচ দিতেই সব শেষ।’

রাজারহাট ইউনিয়নের দিনা গ্রামের গোপাল সরকারের (৫৬) ভাষ্য, ‘হামার যখন ধান বেচা শেষ হবে, তখন ধান কিনবে সরকার। হামার হবে লস, লাভ করবে পাইকার।’

ছিনাই ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের গৃহবধূ নাজমা বেগমেরও (৫০) একই কথা। আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘ধানের দাম কম শুনিয়া কামোত মন বইসে না। ধান আবাদের চেয়ে চাইল কিনি খাওয়া ভালো আছিল।’

রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার সাথী জানাচ্ছিলেন, চলতি বছর ইরি-বোরো মৌসুমে রাজারহাট উপজেলায় ১২ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্জিত হয়েছে শতভাগ। ফলনও ভালো হয়েছে।অপরদিকে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাসুদা খাতুন বলেন, ‘চলতি মৌসুমে রাজারহাট উপজেলায় ৪১৭ জন কৃষকের কাছ থেকে ১ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন ধান প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে এবং ৪২ জন মিল মালিকের কাছ থেকে ১ হাজার ৫ শত ২ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল কেজি ৪৯ টাকা দরে কেনা হবে।’

তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ না করলে প্রকৃত কৃষক ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিতই থেকে যাবে।

ধানকৃষক
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise