যশোর
বৃষ্টিতে হাসল কৃষক, ভোগান্তিতে নগরবাসী

ছবি: আগামীর সময়
অবশেষে যশোরে নেমেছে স্বস্তির বৃষ্টি। আজ শনিবার বিকেলের ভারী বর্ষণে জেলায় ফিরেছে স্বস্তি, কৃষকের ফসলেও এসেছে নতুন প্রাণ। বিশেষ করে মাঠের পাটখেতগুলো বৃষ্টির পানিতে সজীব হয়ে উঠেছে। তবে এই বৃষ্টি শহরের নিচু এলাকার বাসিন্দাদের জন্য নিয়ে এসেছে নতুন ভোগান্তি। ড্রেন উপচে পানি ঢুকে পড়েছে বহু ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। শহরের বেশ কয়েকটি সড়ক এখনো পানির নিচে। তবুও টানা গরম ও দাবদাহ থেকে মুক্তি পেয়ে জলাবদ্ধতার কষ্ট মাথায় নিয়েও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন নগরবাসী।
আজ সকাল থেকেই যশোরের আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। বিকেল প্রায় ৩টার দিকে পশ্চিম আকাশে ঘন মেঘ জমতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে এবং শুরু হয় বৃষ্টি। প্রথমে ঝিরঝির বৃষ্টি হলেও পরে তা ভারী বর্ষণে রূপ নেয়। বৃষ্টির সঙ্গে বইতে থাকা শীতল বাতাসে মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।
মতিউর রহমান বিমানঘাঁটি আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বিকেল পর্যন্ত যশোরে ৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
তবে অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে শহরের শংকরপুর, বেজপাড়া, খড়কীসহ বেশ কয়েকটি নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কয়েক ঘণ্টা পরও সেসব এলাকার রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অন্যদিকে, বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে পাটচাষিদের মুখে। কৃষক আবুল হোসেন বলেছেন, ‘এই বৃষ্টি ফসলের জন্য খুবই উপকারী হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে পাটগাছের বৃদ্ধি কিছুটা থমকে গিয়েছিল। বৃষ্টির কারণে এখন গাছের বৃদ্ধি দ্রুত হবে। এ বৃষ্টি কৃষকদের সেচের অতিরিক্ত খরচ ও দুশ্চিন্তা থেকেও মুক্তি দিয়েছে ‘




