Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

২০ ঘণ্টায় গৃহবধূ হত্যার রহস্য উদঘাটন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৩
২০ ঘণ্টায় গৃহবধূ হত্যার রহস্য উদঘাটন

সংগৃহীত ছবি

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় স্বর্ণের পুতুল দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে ঘটনার মাত্র ২০ ঘণ্টার মধ্যে।

মঙ্গলবার রাতে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠ করে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার এবং তদন্ত-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় ছিলেন জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

গত ১ জুন সকালে উপজেলার ভাতুড়িয়া ইউনিয়নের একটি জনমানবশূন্য এলাকায় নাসিমা আক্তার (৩৬) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেন পুলিশে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ করে উদ্ধার।

পুলিশ জানায়, মরদেহের মুখমণ্ডলের একটি অংশ পোড়া অবস্থায় ছিল। এতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যার পর পরিচয় গোপন বা আলামত নষ্টের উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল মরদেহে আগুন দেওয়ার চেষ্টা। ঘটনাস্থলের কিছু দূরে উদ্ধার করা হয় বাঁশের কঞ্চিতে রশি লাগানো একটি ফাঁদও। নিহতের গলায় রশির দাগ এবং এক হাতে মাটি আঁকড়ে ধরার চিহ্ন দেখে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

তদন্তের শুরুতে পুলিশ উল্লেখযোগ্য কোনো সূত্র না পেলেও নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে। নিহতের ১২ বছরের মেয়ের কাছ থেকে জানা যায়, ঘটনার আগের রাতে নাসিমা আক্তার জুতা ছাড়া বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। এছাড়া ছোট ছেলেকে দ্রুত ঘুম পাড়িয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার তাড়াহুড়াও ছিল তার।

এই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। একপর্যায়ে জানা যায়, বিশেষ একজনের সঙ্গে দেখা করতে গেলেই তিনি খালি পায়ে বের হতেন। কারণ, তাকে দেখানো হয়েছিল স্বর্ণের পুতুল পাওয়ার প্রলোভন। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, আর্থিক লেনদেন এবং ভিকটিম ও সন্দেহভাজনের পূর্ববর্তী আচরণ বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পান।

তদন্তে টেংরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মফিজ উদ্দিনের ছেলে কবিরাজ হিসেবে পরিচিত শামসুলের সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে আসে। পরে তাকে করা হয় গ্রেফতার।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শামসুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগদ টাকা উদ্ধারসহ বিভিন্ন আলামত করা হয়েছে জব্দ। পরবর্তীতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন তিনি।

ঠাকুরগাঁওহরিপুরহত্যাকাণ্ডরহস্যউদঘাটন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise