মাধবপুর
যাত্রাবিরতির দাবিতে ট্রেন থামিয়ে আন্দোলন

ছবি: আগামীর সময়
হবিগঞ্জের মাধবপুরের শাহজিবাজার রেলস্টেশনে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে আন্দোলন করেছেন স্থানীয়রা।
আজ শনিবার বিকেলে আন্দোলনের মুখে সিলেট থেকে ঢাকাগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস প্রায় আট মিনিট অতিরিক্ত সময় আটকা পড়ে স্টেশনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৪টার দিকে শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শুরু করেন স্টেশন এলাকায়। সাড়ে ৪টার কয়েক মিনিট আগে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস শাহজিবাজার স্টেশনে পৌঁছলে আন্দোলনকারীরা থামিয়ে রাখেন ট্রেনটি। পরে প্রায় আট মিনিট পর ট্রেনটি স্টেশন ত্যাগ করে।
আন্দোলনকারীদের দাবি, শাহজিবাজার রেলস্টেশনটি মাধবপুর ও ওলিপুর শিল্পাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী ছয়টি ট্রেনের মধ্যে শুধু ঢাকা-সিলেট রুটের জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এখানে যাত্রাবিরতি দেয়। বাকি পাঁচটি ট্রেনও স্টেশনে থামাতে হবে এবং দ্রুত স্টেশনটির সংস্কার করতে হবে। না হলে রেলপথ অবরোধ করে অনির্দিষ্টকালের আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শাহজিবাজার বিদ্যুৎ উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, ইউপি সদস্য জয়নাল মিয়া, গাজীউর রহমান আব্বাস, আবদাল মিয়া, নজরুল গাজী, নুরধন, শরিফ উদ্দিন সিকদার, সাব্বির আহমেদ, শাহাদাত তালুকদার ও আশরাফুল ইসলামসহ অনেকে।
শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শাহজিবাজার স্টেশনে প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটে। কয়েকদিন আগে রিলে রুমের ব্যাটারিও চুরি হয়েছে। সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল থাকায় এবং জনবল সংকটের কারণে সেখানে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে বুকিং সহকারীর তত্ত্বাবধানেই জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস কোনোভাবে স্টেশনে থামে।
শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের এক কর্মকর্তা পরিচয় গোপন রাখার শর্তে মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন আগামীর সময়ের সঙ্গে।
তার ভাষ্য, শাহজিবাজার রেলওয়ে স্টেশনে প্রায়ই চুরি হয়। কয়েকদিন আগেও রিলসরুমের ব্যাটারি চুরি হয়েছে। সিগন্যাল ব্যবস্থা একেবারেই অকেজো। মাস্টারকে এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সবগুলো ট্রেন থামানো সম্ভব নয়। একমাত্র বুকিং সহকারীর মাধ্যমে জয়ন্তিকা কোনোরকম থেমেই ছেড়ে যায়।




