‘যুবলীগ কর্মীকে’ পিটিয়ে হত্যায় মামলা, ‘বিএনপি কর্মী’ গ্রেপ্তার

যশোরের চৌগাছায় জুয়েল আহমেদ রানা (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যায় হয়েছে মামলা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। নিহত জুয়েল যুবলীগ কর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বাড়ি পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ গ্রামে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চৌগাছা থানায় হত্যা মামলা করেন জুয়েলের স্ত্রী মায়া বেগম। ১০ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে করেন আসামি। রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় এজাহারভুক্ত আসামি হুমায়ূন কবিরকে। তিনি স্থানীয় বিএনপি কর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুনুর রশিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ মোড়ে ঘটে হত্যাকাণ্ডটি।
ওসি জানালেন, সকালে সেখানে কয়েকজন বিএনপি কর্মী-সমর্থকের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তর্ক হয় জুয়েলের। একপর্যায়ে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে ফেলে রেখে যান তারা। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা জুয়েলকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পাঠানো হয় যশোর জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হত্যার ঘটনাটি রাজনৈতিক নয়, জমির বিরোধের জেরে- দাবি চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালামের। আসামিরা বিএনপির পদধারী কেউ নন বলেও দাবি তার।
চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।




