Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

জয়পুরহাট

আলুর মডেল ঘরে কেউ করছেন রান্নাবান্না, কেউ ঘুমাচ্ছেন

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১০:৩৩
আলুর মডেল ঘরে কেউ করছেন রান্নাবান্না, কেউ ঘুমাচ্ছেন

কৃষকরা দ্রুত ঘরগুলোকে আলু রাখার উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন। ছবি : আগামীর সময়।

কাগজেকলমে এটি ‘অহিমায়িত আলুর মডেল ঘর’। উদ্দেশ্য, প্রান্তিক কৃষকদের আলু সংরক্ষণ। কিন্তু বাস্তবে সেই ঘরে আলু নেই একটিও! সেখানে দিব্যি বসবাস করছে কৃষকের পরিবার, চলছে রান্নাবান্নাও। কেউবা আবার বানিয়েছেন গোয়াল বা মুরগির খাবারের স্টোর রুম।

জয়পুরহাটে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার এই প্রকল্পে অব্যবস্থাপনার কারণে সরকারি ঘর এখন কৃষকের কোনো কাজেই আসছে না। কৃষকরা দ্রুত ঘরগুলোকে আলু রাখার উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলার ৫২ কৃষককে এই ঘর দেওয়া হয়। প্রতিটিতে খরচ দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। কিন্তু নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন খোদ কৃষকরাই।

এদিকে, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ থাকলেও যথাযথ তদারকির অভাবে এখনই তা মুখ থুবড়ে পড়েছে।

অহিমায়িত আলুর মডেল ঘরে আলু নেই একটিও! সেখানে দিব্যি বসবাস করছে কৃষকের পরিবার, চলছে রান্নাবান্নাও। ছবি : আগামীর সময়।কৃষকদের দাবি, দ্রুত অনিয়মের তদন্ত করে ঘরগুলোকে আলু রাখার উপযোগী করা হোক।

সদর উপজেলার কৃষক একাব্বর আলী বলেছেন, ঘরের সঙ্গে ক্যারেট, ডিজিটাল ওজন মাপার মেশিন, স্প্রে মেশিন দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়েছে শুধু এক টুকরো ত্রিপল। বাকি সামগ্রী চাইলে কর্মকর্তারা বলেন ‘বরাদ্দ আসেনি’। শুধু তাই নয়, ঠিকাদার বাঁশ ও বালু কেনার টাকা না দিয়েই লাপাত্তা হয়ে গেছে। ফোনও ধরে না।

আক্কেলপুরের সিরাজুল ইসলামের কণ্ঠেও একই ক্ষোভ। তার অভিযোগ, এই ঘরে আলু রাখলে গরমে পচে যায়, বৃষ্টিতে পানি ঢোকে আর ইঁদুরে কেটে ফেলে। প্রথমবার আলু রেখে অনেক টাকা লোকসান হয়েছে। তাই এখন বাধ্য হয়ে খড়ি আর মুরগির খাবার রাখি। সরকার যদি ভালো করে পরিবেশ বানিয়ে দিত, তবেই আলু রাখা সম্ভব হতো।

জয়পুরহাট জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রতন কুমার রায় জানান, অতিরিক্ত সার-কীটনাশক দেওয়ার কারণে আলু পচে যাচ্ছে। আর বরাদ্দ না পাওয়ায় ১২টি ঘরে সব সরঞ্জাম দেওয়া যায়নি।

আলুমডেল ঘর
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise