মুক্তাগাছায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতার তর্কের জেরে থানায় ভাঙচুর

মুক্তাগাছা থানা। ছবি: আগামীর সময়
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ওসির কক্ষে ঢোকা নিয়ে বিএনপি নেতার সঙ্গে পুলিশের তর্কের জেরে হামলা হয়েছে থানায়। ভাঙচুর করা হয়েছে থানার সামনের ট্রাফিক বক্সও। গতকাল রবিবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ওই নেতা হলেন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী টুটুল।
তিনি বলেছেন, ‘একটি মেয়ের আইনগত সহায়তার বিষয়ে রবিবার সকালে থানায় একটি কাগজ জমা দিয়ে আসি। রাতে আবার ওই বিষয়ে খবর নিতে থানায় যাই। তখন ওসির কক্ষে প্রবেশ করতে চাইলে কনস্টেবল মো. বকুল মিয়া আমাকে বাধা দেন। তিনি জানান, ভেতরে সভা হচ্ছে, এখন ঢোকা যাবে না।’
আরিফের ভাষ্য, তিনি ওসির রুমের ভেতরে উঁকি দিলে বকুল উত্তেজিত হয়ে তাকে গালমন্দ করেন। হট্টগোল শুনে বের হয়ে আসেন ওসি কামরুল ইসলাম। ‘ওসিও আমাকে কড়া কথা বলেন’- অভিযোগ তার।
এরইমধ্যে বাইরে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে- আরিফকে আটক করা হয়েছে। আরিফের দাবি, ‘আমি থানা থেকে বের হই। তখন কিছু লোকজনকে উত্তেজিত হয়ে থানার দিকে আসতে দেখি। আমি তাদের ফেরাতে চাইলেও তারা থানার দিকেই যান।’
এরপরেই হামলা-ভাঙচুর হয় থানায়। হামলাকারীরা তার সমর্থক-অনুসারী নন বলেও দাবি করেন আরিফ।
মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুলের ভাষ্য, জরুরি বৈঠক থাকায় কক্ষে কাউকে ঢুকতে না দিতে কনস্টেবলকে তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিএনপি নেতা আরিফ জোর করে ঢুকতে চাইলে কনস্টেবল তাকে বাধা দেন। এসব নিয়ে আরিফের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়।
ওসির দাবি, রাত ১০টার দিকে তিনি অনেককে লাঠি ও দেশিয় অস্ত্র নিয়ে আসতে দেখেন। তাদের পেছনে ছিলেন আরিফও। ওই লোকজন থানার ফটক ও ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর করেন। তবে পুলিশ সদস্যরা গেটের কাছে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যান।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তারা ঘটনাটি শুনেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।




