সালিশ করতে থানায় গিয়ে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেত্রী জাহানারা

সালিশ বৈঠক করতে গিয়েছিলেন সৈয়দপুর থানায়। সেখানে জেলা মহিলা দলনেত্রীর সঙ্গে বাধল তর্ক। এরপর নীলফামারী সদরের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হলেন পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর কাজী জাহানারা পারভীন।
সৈয়দপুরে মঙ্গলবার রাতের ঘটনা এটি। বুধবার সকালে নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা।
তিনি জানালেন, রাতে এলাকার একটি জমি-সংক্রান্ত ঝামেলা মেটাতে থানার বৈঠকখানায় সালিশ ডাকেন স্থানীয় লোকজন। এক পক্ষের হয়ে বৈঠকে এসেছিলেন সাবেক কাউন্সিলর কাজী জাহানারা। আরেক পক্ষে এসেছিলেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রুপা হোসেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বাধে তর্ক।
ওসি রেজাউলের ভাষ্য, নীলফামারী সদর থানায় ২০১৩ সালের একটি হত্যা মামলায় আসামির তালিকায় নাম ছিল জাহানারার। গত রাতে থানায় দুই পক্ষের হট্টগোলের মধ্যে জাহানারাকে ওই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পাঠানো হয় সদর থানায়। বুধবার তাকে আদালতে তোলার কথা রয়েছে।
২০১৩ সালের হত্যা মামলায় এখন কেন গ্রেপ্তার, জানতে চাইলে ওসি বললেন, ‘সদর থানার রেকর্ডে জাহানারা পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে এতদিন সৈয়দপুর থানায় কোনো রিকুইজিশন ছিল না। গতকাল রাতে রিকুইজিশন এলে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করি।’
২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর রামগঞ্জ হাটে সহিংসতা এবং সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনার সময় নিহত হন সিদ্দিক আলী নামের এক পথচারী। পরে আসাদুজ্জামানকে প্রধান আসামি করে ২০২ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের ছেলে মো. লিটন রহমান।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ওইদিন রামগঞ্জ বাজারে আওয়ামী লীগের লোকজনের হামলায় সিদ্দিক আহত হন। পরে আসাদুজ্জামানের গাড়িচাপায় তার মৃত্যু হয়।





