ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে বরিশালে ছাত্র ফেডারেশনের বিক্ষোভ

ছবিঃ আগামীর সময়
দেশে গেল কয়েকদিনে শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে একাধিক। এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় সামনে আসায় আলোচিত হয়েছে নরসিংদীর ধর্ষণ-হত্যার ঘটনাটি।
একের পর এক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ছাত্র ফেডারেশন। এর পেছনে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে দায়ী করেছেন বক্তারা। বলছেন, অপরাধীদের দাপট এখন ভয়াবহ।
নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে রবিবার (১ মার্চ) বেলা ১১টায় হয় এই সমাবেশ।
বক্তারা ঢাকা, নরসিংদী ও পাবনাসহ বিভিন্ন স্থানের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতের এবং সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাড়া-মহল্লায় কার্যকর ‘যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল’ গঠনের দাবি তুলেছেন।
বরিশাল জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক ফারজানা পায়েলের সঞ্চালনায় এবং জেলা সভাপতি সাকিবুল ইসলাম শাফিনের সভাপতিত্বে চলে সমাবেশ।
সংগঠনের বক্তাদের মতে, ধর্ষণ এখন দেশের অন্যতম গুরুতর সামাজিক সংকট। এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে অবিলম্বে কঠোর নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি।
সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করেন বক্তারা। বলেন, নরসিংদীতে ১৫ বছরের কিশোরী, রাজধানীর হাতিরঝিলে ৬ বছরের শিশু এবং পাবনায় দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যার মতো নৃশংস ঘটনা প্রমাণ করে সমাজে অপরাধীদের দাপট কতটা ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধকে উৎসাহিত করছে।
সভাপতির বক্তব্যে সাকিবুল ইসলাম শাফিন বলেন, ‛দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর দেশ একটি নির্বাচিত সরকার পেয়েছে। তাই সরকারকে অবিলম্বে ধর্ষণের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
গ্রামীণ সালিশের মাধ্যমে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা এবং সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে ধর্ষণের বিচার সম্পন্নের বিশেষ আইন প্রণয়নের দাবি তার।
সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশালের সমন্বয়কারী দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বরিশালের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল নিপু, সদস্য সাকিনুল ইসলাম ইশান এবং বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন বরিশাল জেলার সংগঠক আবুল হোসেন মারুফ।

