Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় প্রাণী থেকে মানুষ, সবার পাশেই বাচ্চু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

পৌরসভার ২ কোটি টাকার ভবন চালু হয়নি ১২ বছরেও

বাগেরহাট প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৮
পৌরসভার ২ কোটি টাকার ভবন চালু হয়নি ১২ বছরেও

বাগেরহাট পৌরসভার আধুনিক তিনতলা ভবনটি চালু হয়নি ১২ বছরেও। ছবি: আগামীর সময়

প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল বাগেরহাট পৌরসভার আধুনিক তিনতলা ভবন। নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ১২ বছর আগে। কিন্তু এখনো চালু হয়নি ভবনটি।

বরাদ্দের অভাবে দরজা-জানালা ও রঙের কাজ শেষ না হওয়ায় ভবনটি পড়ে আছে পরিত্যক্ত অবস্থায়। কোথাও জমেছে ময়লা-আবর্জনা, নষ্ট হচ্ছে নির্মাণকাজ। অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ পুরনো ভবনেই চলছে পৌরসভার সব কার্যক্রম।

এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতায় আছেন প্রতিদিন সেবা নিতে আসা শত শত নাগরিকও।

২০১৪ সালের ২১ আগস্ট শেষ হয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১ কোটি ৯১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে বাগেরহাট পৌরসভার নতুন তিনতলা ভবনটির নির্মাণকাজ। এমএ জলিল নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভবনের মূল কাঠামো নির্মাণ করে। তবে বরাদ্দের অভাবে দরজা-জানালা স্থাপন ও রঙের কাজ শেষ না হওয়ায় আর ব্যবহার করা হয়নি ভবনটি।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ভবনটি ব্যবহার উপযোগী করতে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্দেশ দেয় প্রয়োজনীয় ব্যয় পৌরসভার নিজস্ব রাজস্ব তহবিল থেকে বহনের। এরপরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি ভবনটি চালুর।

দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নষ্ট হতে শুরু করেছে ভবনের বিভিন্ন অংশ। এরই মধ্যে কয়েকটি কক্ষে জমেছে ময়লা-আবর্জনা। এভাবে পড়ে থাকায় জনগণের অর্থে নির্মিত ভবনটির স্থায়িত্ব নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।


আরও পড়ুন

মেগা প্রকল্প দেখতে মাতারবাড়িতে তারেক রহমান

০৯ আগস্ট ২০২৬

অন্যদিকে পৌরসভার পুরনো চারতলা ভবনটিও আছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়। প্রায়ই খসে পড়ছে ভবনের বারান্দা, ছাদ ও বিভিন্ন কক্ষের পলেস্তারা। বিভিন্ন পিলার ও দেয়ালে দেখা দিয়েছে ফাটল। প্রায় ছয় মাস আগে খসে পড়ে দ্বিতীয় তলায় ওঠার সিঁড়ির ওপরের ছাদের পলেস্তারা।



অকেজো কেচিগেট পার হয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই ভবনেই দাপ্তরিক কাজ করছেন। একই ভবনে বাধ্য হয়ে সেবা নিতে আসছেন নাগরিকরাও।

এক পৌর কর্মচারী বলেছেন, ‘পুরনো ভবনের বিভিন্ন জায়গায় খসে পড়ছে পলেস্তারা। ফাটল আছে দেয়াল ও পিলারেও। ঝুঁকির মধ্যে কাজ করতে হয় সবসময়। নতুন ভবনটি দ্রুত চালু করা গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাগরিকদের জন্য তৈরি হবে নিরাপদ পরিবেশ।’

পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নয়ন সেবা নিতে এসে বলেছেন, ‘পৌরসভার বিভিন্ন কাজে প্রতিদিন অনেক মানুষ এখানে আসেন। ভবনের অবস্থা দেখে অনেক সময় ভয় লাগে। নতুন ভবন নির্মাণ করে এত বছর ফেলে রাখা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দ্রুত ভবনটি চালু করা হলে সাধারণ মানুষ নিরাপদ পরিবেশে সেবা নিতে পারবেন।’

সেবা নিতে আসা নিলয় দাস বলেছেন, ‘জন্মনিবন্ধন, হোল্ডিং ট্যাক্সসহ বিভিন্ন কাজে পৌরসভায় আসতে হয়। পুরনো ভবনের অবস্থা দেখে স্বাভাবিকভাবেই ভয় লাগে। এত টাকা খরচ করে নতুন ভবন নির্মাণের পর সেটি ব্যবহার না করে ফেলে রাখা ঠিক নয়। দ্রুত ভবনটি চালুর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’

বাগেরহাট পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন জানিয়েছেন, নতুন ভবনটি ব্যবহার উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে ভবনটি চালু করা গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারবেন। নাগরিকরাও উন্নত পরিবেশে সেবা পাবেন।

পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী, স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে বাগেরহাট পৌরসভায় দুই শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার মানুষের এই পৌরসভায় প্রতিদিন কয়েকশ মানুষ বিভিন্ন নাগরিকসেবা নিতে আসেন।

দীর্ঘ ১২ বছর ধরে অব্যবহৃত থাকা ভবনটি দ্রুত সংস্কার করে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, একদিকে জনগণের অর্থে নির্মিত ভবন নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ পুরনো ভবনে কাজ ও সেবা নিতে গিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় থাকতে হচ্ছে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ নাগরিকদের।

বাগেরহাট পৌরসভাভবনপ্রকল্প
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: