চট্টগ্রাম থেকে চুরি হওয়া ১২ টন রড মাগুরায় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

গ্রেপ্তার ব্যক্তি
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থেকে সুনামগঞ্জে পাঠানোর পথে রড উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম'র ১৩ টন লোহার রড চুরি হয়েছে। ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১২ টন ১০০ কেজি রড উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি রড পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার তিন ব্যক্তি হলেন—মো. রিয়াদ হোসেন, ট্রাকের সহকারী (হেলপার) মো. হাদিছ মোল্লা ও আবুল বাশার ওরফে বাঁশি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট বেলা তিনটার দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন বিএসআরএম কারখানা থেকে ১৩ টন লোহার রড ট্রাকে করে সুনামগঞ্জের উদ্দেশে পাঠানো হয়। পথে ট্রাকসহ পুরো চালানটি গায়েব করে দেয় সংঘবদ্ধ চক্রটি। এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় মামলা হলে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে মাঠে নামে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।
জোরারগঞ্জ থানার ওসি আবদুল হালিম জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর শুরু হয় ধারাবাহিক অভিযান। গত ১৯ আগস্ট চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট এলাকা থেকে রিয়াদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন নারায়ণগঞ্জের তারাবোয় এক আত্মীয়ের বাসা থেকে ট্রাকের সহকারী হাদিছকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরার মহম্মদপুর থানাধীন জাঙ্গালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের আরেক সদস্য আবুল বাশার ওরফে বাঁশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাশারকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে আসে চোর চক্রের মূল হোতা জাহাঙ্গীরের নাম। পরে
জাহাঙ্গীরের বসতঘর ও মহম্মদপুর বাজারের ‘আয়ান এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ১২ টন ১০০ কেজি রড উদ্ধার করা হয়।
এদিকে ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রড চুরির পর ফেলে যাওয়া ট্রাকটি খালি অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। চক্রের মূল হোতা জাহাঙ্গীরসহ জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






