Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

এক ম্যুরালে জীবন্ত ৩ ইতিহাস

মিয়া ইমন, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৯:১৫
এক ম্যুরালে জীবন্ত ৩ ইতিহাস

ছবি: আগামীর সময়

চট্টগ্রামের লালদীঘির মোড়। সময়ের পরিক্রমায় এই চত্বর শুধু সড়ক সংযোগস্থল নয়,বরং হয়ে উঠেছে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের এক জীবন্ত দলিল। প্রজন্মের বদলের সাথে বদলে যায় ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কখনো হারিয়ে যায়, কখনো বা ঘটানো হয় ইচ্ছেকৃত বিকৃতি। প্রকৃতপক্ষে শিল্পের মাধ্যমেই ধরে রাখা যায় হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস। কারুকার্যের শিল্পই যেন ইতিহাসকে এক মুহূর্তে মধ্যে ‘টাইম মেশিন’ এর মত মনে করিয়ে দিতে পারে তার হারিয়ে যাওয়া গৌরবের কথা।

পোড়ামাটির কারুকার্য্যে, রঙতুলির আঁচড় কিংবা ভাস্কর্যে একবার যে ইতিহাস আকা হয়ে যায়, তা সহজে মুছে ফেলা যায় না। সেই ঐতিহ্য আর সংগ্রামের চেতনা থেকেই চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘির মোড়ে নির্মিত হয়েছে নতুন ম্যুরাল ‘আবদুল জব্বারের চত্বর’। চত্বরটির নকশা করেন স্থপতি আয়েশা রুবাইয়াৎ আশা। ব্যয় হয়েছে ৪০ লাখ।

ডিজাইনার জানার, লাইটিং আর ল্যান্ডস্কেপের কাজ বাকি। এটি শেষ হলে অদম্য বাংলাদেশের চিত্রই ফুটে ওঠবে এই শিল্পকর্মে।

শতবর্ষী জব্বারের বলীখেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান জানান, গত বছর আমরা মেয়রের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম বলীখেলার একটি স্মারক স্থাপনের জন্য। এক বছরের মধ্যেই তিনি নির্মাণ করে তা উদ্বোধন করেছেন।

গত ২২ এপ্রিল জব্বারের বলীখেলার ২ দিন আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এটি উদ্ভোধন করেন। সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘বলি খেলা, বীর চট্টগ্রামের সংগ্রামী ঐতিহ্য আর ন্যায়বিচারের চেতনা—আমাদের এই গৌরবময় ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে জীবন্ত করে তুলতেই আমাদের এই ম্যুরাল।’

১৯০৯ সালে জমিদার আব্দুল জব্বার সওদাগর চট্টগ্রামে প্রথম মল্লযুদ্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যুবসমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতেই মূলত এই প্রতিযোগিতার সূচনা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি শুধু একটি খেলা নয়, বরং চট্টগ্রামের লোকঐতিহ্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বাংলা বৈশাখ মাসের ১২ তারিখ লালদীঘির ময়দানে বসে এই বলীখেলার আসর, সঙ্গে থাকে বৈশাখী মেলা।

এই আয়োজনকে আরও স্মরণীয় করে তুলতেই লালদীঘির মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে ত্রিভুজাকৃতির টেরাকোটার ম্যুরাল। তিনটি ভিন্ন প্রতিকৃতিতে এখানে তুলে ধরা হয়েছে চট্টগ্রামের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস।

ম্যুরালের প্রথম অংশে রয়েছে ‘জব্বারের বলীখেলা’র প্রতিকৃতি। সেখানে দুই বলীর লড়াই এবং চারপাশে উৎসুক দর্শকের উপস্থিতি যেন শতবর্ষের ঐতিহ্যকে জীবন্ত করে তুলেছে। এটি কেবল শক্তি ও সাহসের প্রতীক নয়, বরং চট্টগ্রামের লোকসংস্কৃতিরও অবিচ্ছেদ্য অংশ।

দ্বিতীয় অংশে স্থান পেয়েছে হাতুড়ির প্রতিকৃতি, যা ন্যায়বিচারের প্রতীক। লালদীঘি এলাকার আদালতপাড়া ও বিচার বিভাগের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই এই প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে। এটি আইনের শাসন ও সুবিচারের চেতনাকে ধারণ করে।

আর তৃতীয় অংশে দুই হাতে শেকল ভাঙার দৃশ্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে চট্টগ্রামের সংগ্রামী ইতিহাস। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনে লালদীঘির ময়দান ছিল জনতার প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু। শেকল ভাঙার প্রতীক সেই মুক্তির আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সংগ্রামের এক অনন্য মেলবন্ধন হয়ে লালদীঘির এই চত্বর এখন শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং চট্টগ্রামের আত্মপরিচয়ের নতুন প্রতীক।

চট্টগ্রামলালদীঘির মোড়ম্যুরালইতিহাস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise