শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে মুসল্লিদের ঢল

ছবি: আগামীর সময়
ইসলামের ইতিহাসে কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.) এর শাহাদাত কোনো সাধারণ ঘটনা ছিল না। এটি ছিল অন্যায়, জুলুম ও ইয়াজিদি উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সত্য, ন্যায় এবং দ্বীন ইসলামের স্বকীয়তা রক্ষার মহান আদর্শিক লড়াই।
কারবালার সেই ঐতিহাসিক ত্যাগ, ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর পরিবারের আদর্শকে ধারণ করে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে গতকাল শুক্রবার রাতে ১০ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শাহাদাতে কারবালা মাহফিল শেষ হয়েছে।
প্রধান আলোচক সৈয়দ আফিফ উদ্দিন আল-জিলানী তার বক্তব্যে জানালেন, 'সাহাবায়ে কেরাম সব সময় প্রিয় রাসুল (সা.) কে খুশি করার চেষ্টা করতেন। মুমিন ও মুনাফেক চেনার মানদণ্ড হলো ইমাম হোসাইন (রা.) ও তার পরিবারের প্রতি ভালোবাসা।'
যারা মাজার-খানকায় হামলা করে ও অপপ্রচার ছড়ায়, তাদের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান ইসলামিক চিন্তাবিদ ও আন্তর্জাতিক বক্তা সাইফুল আজম বাবর আজহারি।
বিগত ১০ দিন ধরে চলা এই ঐতিহাসিক মাহফিলে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামি চিন্তাবিদগণ আহলে বায়তের প্রতি ভালোবাসা, সুফিবাদী দর্শন এবং কারবালার ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করেন। যুব তরুণদের নেটকেন্দ্রিক অবক্ষয় থেকে বাঁচাতে এবং সুফিবাদী আস্তানাগুলোর সুরক্ষায় সুন্নি সুফিবাদি জনতাকে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয় মাহফিল থেকে।
৪১তম মাহফিলের সমাপনী অধিবেশনে হাজারো দ্বীনদার মুসল্লির ঢল নামে। মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। প্রধান আলোচক ছিলেন বাগদাদ গাউছুল আজম দরবার শরিফের সাজ্জাদনশীন শাহ সূফি আল্লামা সৈয়দ আফিফ উদ্দিন আল-জিলানী। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা হাফেজ আবদুল আলিম রিজভি।




