Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

ঋণ নেওয়ার প্রমাণ গায়েব করতেই মা-মেয়ে হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১৪:০৫
ঋণ নেওয়ার প্রমাণ গায়েব করতেই মা-মেয়ে হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার

ছবি: আগামীর সময়

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মা ও মেয়ে হত্যার ঘটনায় নিহত গৃহবধূর চাচাতো দেবর তেজপ্রিয় বড়ুয়া রিমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঋণের টাকা পরিশোধ এড়াতে এবং ঋণের প্রমাণ হিসেবে থাকা স্ট্যাম্প উদ্ধার করতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল রবিবার রাতে পটিয়া পৌর শহর থেকে তেজপ্রিয়কে গ্রেপ্তার করে আনোয়ারা থানা-পুলিশ।

এর আগে গত শনিবার রাতে হত্যার ঘটনাটি ঘটে আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের পূর্ব কন্যারা গ্রামের বড়ুয়াপাড়ায়। নিহত ব্যক্তিরা হলেন এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ সময় আহত হয় এনি বড়ুয়ার ছেলে পিয়াস বড়ুয়া।

ঘটনার সময় পরিবারের কর্তা সুজন বড়ুয়া কর্মস্থলে ছিলেন। তিনি নগরীর খাতুনগঞ্জে একটি ভবনের নিরাপত্তাপ্রহরী হিসেবে কর্মরত। তেজপ্রিয় ও সুজনের বাড়ি পাশাপাশি।

আজ সোমবার সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম।

তিনি জানালেন, অটোরিকশা কেনার জন্য সুজন বড়ুয়ার কাছ থেকে সুদে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তেজপ্রিয়। ওই ঋণের বিপরীতে স্বাক্ষর করা একটি স্ট্যাম্প এনি বড়ুয়ার কাছে সংরক্ষিত ছিল। পরে ঋণ পরিশোধ নিয়ে সুজনের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে স্ট্যাম্প নিতে সুজনের বাসায় যান তেজপ্রিয়। স্ট্যাম্প নিতে বাধা দেওয়ায় এনি ও প্রিয়ন্তীকে হত্যা করা হয়।

এসপি মাসুদ আলম আরও জানালেন, ঘটনার রাতে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা সুজন বড়ুয়ার বাড়িতে ছুটে যান। তারা এনি বড়ুয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের হতে দেখেন। পরে তিনি উঠানে লুটিয়ে পড়েন। ঘরের ভেতরে গিয়ে স্থানীয়রা প্রিয়ন্তীর রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।

এ ঘটনায় সুজন বড়ুয়া গতকাল রবিবার রাতে আনোয়ারা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তেজপ্রিয় বড়ুয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর পটিয়া পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তেজপ্রিয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তেজপ্রিয় আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা এবং নিহত এনি বড়ুয়ার মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার পর ছোরাটি বাড়ির পেছনের একটি শুকনো খালে এবং মোবাইল ফোনটি পটিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

আনোয়ারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসানের ভাষ্য, তেজপ্রিয় দীর্ঘদিন মাসিক সুদ পরিশোধ করলেও পরে তা বন্ধ করে দেন। ঋণের প্রমাণ হিসেবে থাকা স্ট্যাম্প জোর করে নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়েই এনি ও প্রিয়ন্তীকে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তার তেজপ্রিয়কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

খুনচট্টগ্রামগ্রেপ্তার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise