তাপমাত্রা ৩৬ গরমের অনুভূতি ৪৪ ডিগ্রি

প্রচণ্ড গরমে একটু স্বস্তির ছোঁয়া— আগামীর সময়
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা চারদিকে। কাঠফাটা রোদে বাইরে বের হওয়ার উপায় নেই। চট্টগ্রামসহ সারা দেশে এমন তাপমাত্রা লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা, দিনাজপুর, রাজশাহী, রংপুর, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় তাপ প্রবাহ বয়ে চলছে।
চট্টগ্রামে তাপ প্রবাহ না থাকলেও গ্রীষ্মের এমন গরম আরও এক দুইদিন থাকতে পারে এমন আভাস দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তররের তথ্য অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তবে আন্তর্জাতিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও তথ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট আক্কু ওয়েদারের পরিমাপ অনুযায়ী আজ চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে গরমের অনুভূতি আরও বেশি, ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
একই সাইটের তথ্য অনুযায়ী কক্সবাজারে আজের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে গরমের অনুভব ছিল ৪৭ ডিগ্রির সমান। রাঙামাটিতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রার অনভূতি ছিল ৪৩ ডিগ্রির সমমানের।
পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তরের কর্তব্যরত আবহাওয়াবিদ ইসমাইল ভূঁইয়া জানান, আগামীকালও এমন তাপমাত্রা অনুভূত হবে। আগামী শনিবার থেকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চট্টগ্রামে তাপ প্রবাহ বইছে না বলে জানান তিনি।
সাধারণত ৩৬ ডিগ্রি থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু তাপ প্রবাহ বলা হয়। ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে তীব্র তাপ প্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। ৪২ ডিগ্রি বা তার বেশি তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপ প্রবাহ বলা হয়।




