Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

হাম

‘একটা গেল, পেটের বাচ্চাটিকে বাঁচাতে পারব তো’

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ১৬:২৭
‘একটা গেল, পেটের বাচ্চাটিকে বাঁচাতে পারব তো’

হাম উপসর্গে মেয়ের মৃত্যুতে কাঁদছেন মা-বাবা

পাঁচ দিন ধরে মেয়েকে নিয়ে যুদ্ধ করে গেছেন তারা। এই একটু ভালো হয় তো আবার খারাপ হয়ে যায়। চোখ মেলে তাকালে একটু আশাবাদী হয়। এভাবে যমে মানুষে টানাটানি। যমের সঙ্গে লড়াইয়ে হেরে গেলেন নাছির উদ্দিন-খুরশিদা দম্পতি। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে তাদের আদরের একমাত্র সন্তান উম্মে হাবিবা।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের হাম ব্লকে দুই বছর চার মাস বয়সী মেয়েটির মৃত্যু হয়। গগনবিদারী আহাজারি করতে থাকেন খুরশিদা আকতার, ‘আমার একমাত্র মেয়েকে কেন নিয়ে গেল আল্লাহ। আমরা তো সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে এসেছি। মেয়ে তো আমাকে আম্মু ডেকে গেল না।’

বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল এলাকায় নাছির উদ্দিনের বাড়ি। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রীর সহকারী। বিয়ে হয়েছে সাড়ে তিন বছর। মেয়ের বয়স দুই বছরের বেশি। হাবিবার প্রথমে জ্বর হয়েছিল। এরপর সর্দি-কাশি ছিল। তখন একবার চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসা শেষে আবার বাড়ি ফিরে যান তারা।

নাছির বললেন, দুই সপ্তাহ আগে একবার মেয়েকে নিয়ে এসেছিলাম। কয়েকদিন চিকিৎসা শেষে শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ থেকে আমাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। মেয়েও তখন কিছুটা ভালো ছিল। কিন্তু পাঁচ দিন আগে আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা আবার তাকে এখানে নিয়ে আসি। এখানে অক্সিজেন লাগানো হয়। আগে থেকে জ্বর ছিল। দুই দিন আগে উম্মে হাবিবার গায়ে র‌্যাশ দেখা যায়। তখন থেকে অবস্থা খারাপ হতে থাকে। একপর্যায়ে অক্সিজেন দেওয়া হয়। তারপরও শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি।


আরও পড়ুন

হলের সামনে থেকে জাবি শিক্ষার্থীকে জঙ্গলে টেনে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা!

১৩ মে ২০২৬

বিভাগের নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বলছিলেন, শিশুটির হাম উপসর্গ রয়েছে। পরীক্ষার পর বলা যাবে তার হাম হয়েছিল কি না। তবে আমরা হামের উপসর্গ দেখে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। টিকা নিলেও হাম হচ্ছে। তবে শিশুটি টিকা পায়নি মনে হচ্ছে।

খুরশিদা আকতার জানালেন, তার মেয়েকে অনেকগুলো সরকারি টিকা দেওয়া হয়েছে। কার্ড রয়েছে। তবে হামের টিকা পেয়েছে কি না মনে নেই।

শিশুটি যে সময়ে হামের টিকা পাওয়ার কথা ছিল তখন দেশে হামের টিকার সংকট ছিল। উম্মে হাবিবার মরদেহ তখনো শয্যায় পড়েছিল, কাপড়ে ঢাকা। আশপাশে আরও হাম উপসর্গের শিশু চিকিৎসাধীন। মেয়ের জামাকাপড়, বিছানাপত্র গোছাতে গোছাতে চিৎকার করে কাঁদছিলেন মা খুরশিদা। কখনো মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছেন তিনি।

তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন স্বামী নাছির উদ্দিন। তার চোখও অশ্রুসজল। নাছির শুধু বললেন, ‘একটা তো চলে গেল। স্ত্রী এখন অন্তঃসত্ত্বা। সে যেভাবে ভেঙে পড়েছে, তাতে পেটের বাচ্চাটিকে বাঁচাতে পারব তো!’

হামচট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজনাছির উদ্দিনউম্মে হাবিবা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise