‘আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,
তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে।’পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের ‘আসমানী’ কবিতার এই পঙ্গতিগুলোতে আসমানীদের ঘরের দৃশ্য তুলে ধরেছেন কবি। কবিতায় আসমানীদের জরাজীর্ণ অন্তত একটি ঘর ছিল, কিন্তু কুড়িগ্রামের রাজারহাটের নাজিমখান ইউনিয়নের ডাংহাট গ্রামের ৫৩ বছর বয়সী লতা রানীর নেই নিজের সেই নিরাপদ আশ্রয়টুকুও।চারদিকে যখন দ...