Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
উপকূলে অল্পনার আশার বীজ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় খেলা

ম্যাকাইয়ের ২২ গজে বাউন্সের চ্যালেঞ্জ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩
ম্যাকাইয়ের ২২ গজে বাউন্সের চ্যালেঞ্জ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় অস্ট্রেলিয়ার ১২তম টেস্ট ভেন্যুর যাত্রা শুরু হয়েছে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ দিয়ে। প্রথম টেস্ট হেরে চাপে থাকা অস্ট্রেলিয়ার জন্য অজানা ভেন্যুতে খেলাটা অস্বস্তির, তবে মাঠের কিউরেটর বলছেন, ব্রিসবেনের উইকেটের মাটিই ব্যবহার করা হয়েছে এখানে। তাই ২২ গজের চরিত্র হতে পারে ব্রিসবেনের মতো, তেমনটা হলে বাংলাদেশের জন্য দুঃসংবাদ। কারণ ডারউইনের চেয়ে প্রায় ১৩ সেন্টিমিটার উঁচুতে আসবে বল, যে বাউন্সটা সামলানো উপমহাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ নয়।

ডারউইন টেস্টের বল ট্র্যাকিংয়ের তথ্য বলছে, ঘরের মাঠে গত তিন মৌসুমে এত কম বাউন্সের কোনো উইকেটে খেলেনি অস্ট্রেলিয়া। মারারা ওভালের ড্রপ ইন উইকেটে বলের গড় বাউন্স ছিল ৫৮ সেন্টিমিটার, ফলে বাংলাদেশের টপঅর্ডারের ছোটখাটো আকৃতির ব্যাটারদের খুব একটা সমস্যায় ফেলতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা।

ব্রিসবেনের গ্যাবায়, উইকেট থেকে গড়ে ৭১ সেন্টিমিটার বাউন্স পেয়ে থাকেন বোলাররা। ব্রিসবেনের বিখ্যাত মাঠকর্মী কেভিন মাইকেল জুনিয়রের অধীনে প্রায় দুই দশক কাজ করেছেন পিটার কাজাকফ, গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ স্টেডিয়ামের কিউরেটর। কোনো রাখঢাক না করেই বলেছেন, “এখানে আরেকটা ‘গ্যাবা’ই তারা বানাতে চান, আমাদের সে রকমটাই লক্ষ্য, অবশ্যই উইকেটে অনেক গতি থাকবে। বল খুব চমৎকারভাবে আসবে, আমরা গ্যাবায় যে মাটি ব্যবহার করি, সেটাই এখানে করেছি। আমরা আশা করছি এখানকার উইকেটেও সেই একই বৈশিষ্ট্য থাকবে।”

২০১৯ সালে পাকিস্তান ব্রিসবেনে হেরেছিল ইনিংস ও ৫ রানের ব্যবধানে, একই বছর শ্রীলঙ্কা এসে দিন-রাতের টেস্ট খেলে হেরেছিল ইনিংস এবং ৪০ রানে, অস্ট্রেলিয়ার ৩২৩ রানের জবাবে কোনো ইনিংসেই শ্রীলঙ্কা দেড়শও পার করতে পারেনি। ২০২১ সালের সফরে এসে ভারত জিতেছিল ৩ উইকেটে আর ২০২৪ সালে এসে বৃষ্টির বাগড়ায় ড্র হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া-ভারত টেস্ট।

এই মাঠ অস্ট্রেলিয়ার পেসত্রয়ীর অন্যতম প্রিয় মৃগয়াভূমি। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স আর জশ হ্যাজেলউড, এই তিন মিলে ব্রিসবেনেই শিকার করেছেন ১৫৪ উইকেট। গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের ২২ গজও কি তাদের সাদর আমন্ত্রণ জানাবে?

শঙ্কার উল্টোপিঠে সম্ভাবনাও আছে। ব্রিসবেনে ২০২৪ সালের বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির ম্যাচটায়, দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের পেসত্রয়ী মোহাম্মদ সিরাজ-আকাশদীপ আর জসপ্রীত বুমরাহ মিলে ৮৯ রানেই ৭ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার, একটা জাদুকরী স্পেলে শামার জোসেফ এই মাঠেই ৭ উইকেট নিয়ে ১৯৯৭ সালের পর প্রথমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট জিতিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। সম্ভাবনার অঙ্কটা হচ্ছে, এখানে বিদেশের পেসাররাও ভালো করেন, উপমহাদেশের পেসাররাও সাফল্য পান। সুরঙ্গা লাকমল পঁাচ উইকেট নিয়েছেন ব্রিসবেনে, ভারতের পেসাররাও ভালো করেছেন। তবে ২২ গজে বল ফেললেই তো আর উইকেট মিলবে না, জানতে হবে এই কন্ডিশনটা কাজে লাগাতে।

ব্রিসবেনের মতোই বাউন্সি উইকেটে বাংলাদেশ খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডে। সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পোর্ট পার্ক এবং ডারবানের কিংসমিড, দুই ভেন্যুতেই বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। মূল কারণ ব্যাটিং।

বাড়তি বাউন্স, বাতাস, স্লিপ কর্ডন— সবকিছুই চাপ বাড়ায় ব্যাটসম্যানদের ওপর। গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় যে সেই একই ছকে বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে অস্ট্রেলিয়া, সেটি স্পষ্ট। ম্যাকাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার দলীয় বৈঠকে ব্যবহার করা হোয়াইটবোর্ডের ছবিটা প্রকাশ করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তাতে কয়েকটা কথা ‘বুলেট পয়েন্ট’ করে লেখা। জিততেই হবে, সুশৃঙ্খল থাকতে হবে মাঠে, প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে জিততে হবে আর ফাইনাল খেলতে হবে। কোনো সন্দেহ নেই যে, এ কাজগুলো মাঠে করে দেখাতে আহত সিংহের মতোই ঝাঁপিয়ে পড়বেন প্যাট কামিন্স ও তার সতীর্থরা। তাদের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কতটা দৃঢ়ভাবে ধৈর্যের দেয়াল দাঁড় করাতে পারবেন শান্তরা, সেই প্রতিরোধই ঠিক করে দেখে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় কোন দল জিতবে।

ম্যাকাই টেস্টঅস্ট্রেলিয়া১২তম টেস্ট ভেন্যুঅস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise