পাচারের অর্থ ফেরাতে ৩ থেকে ৫ বছর লাগতে পারে

কথা বলছেন এবিবির চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন। ছবি: প্রতিনিধি
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন সংস্থার মাধ্যমে মামলা করা হচ্ছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার কারণে এ অর্থ ফেরত আসতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকখাতের প্রতিনিধিরা।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মুস্তাফুর রহমানের সঙ্গে দেশের ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এ্যাসোাসিয়েশন অব ব্যাংকার্সের (এবিবি) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। বৈঠকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরতের অগ্রগতি এবং এ বিষয়ে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে এবিবির চেয়ারম্যান এবং এবং সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন সাংবাদিকদের জানালেন, যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে, তারা ইতোমধ্যে ৮ থেকে ১০টি আন্তর্জাতিক আইন সংস্থা নিয়োগ দিয়েছে। এসব সংস্থা বিদেশের আদালতে মামলা পরিচালনা করছে।
আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। তবে এবিবি হিসেবে আমরা আশাবাদী যে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হবে, যোগ করলেন তিনি।
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। সরকার পরিবর্তন হলেও এই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে—এমন কোনো আশঙ্কা নেই, গভর্নরের উদ্বৃতি দিয়ে বলছিলেন মাসরুর আরেফিন।
ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ধাপে ধাপে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরত আনার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

