ঢাকা-সৌদি : ভোগান্তিতে ১১৪ ফ্লাইটের ১৭ হাজারের বেশি যাত্রী

সংগৃহীত ছবি
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রমে বিধিনিষেধের কারণে সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১১৪টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। এসব ফ্লাইটের ১৭ হাজার ৭০১ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
আজ শনিবার আগামীর সময়কে এমনটা জানালেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক কাউসার মাহমুদ।
ফ্লাইটগুলোর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ৫০টি এবং ট্রানজিট ফ্লাইট ৬৪টি। সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৮টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১২টি এবং রিয়াদ এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, সালামএয়ারের সাতটি, ইজিপ্টএয়ারের একটি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার পাঁচটি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে।
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রমে বিধিনিষেধের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে ফ্লাইটের সময়সূচি ব্যাহত হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের যাত্রীদের বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ফ্লাইটের পরিবর্তিত সময়সূচি জানানো হবে বলেও জানিয়েছে তারা।
বিদেশে যত বাংলাদেশি রয়েছেন, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে। বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির সবচেয়ে বড় গন্তব্য এই দেশটি।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের মধ্যে তেহরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী সম্প্রতি কয়েক দফায় হামলা চালিয়েছে সৌদি আরবে।
এমনই একটি হামলায় শনিবার রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর দুই বাংলাদেশিসহ এখন পর্যন্ত অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। হামলার পর থেকে কিং খালেদ বিমানবন্দর বিমান ওঠা-নামা ব্যাহত হচ্ছে।



