যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রস্তাব

সংগৃহীত ছবি
দেশে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব উঠেছে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে। গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে এই কমিটির পঞ্চম বৈঠকে অংশগ্রহণকারীর অনেকে এমন প্রস্তাব করেছেন বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
বৈঠকে উপস্থিত দুজন প্রতিনিধি আগামীর সময়কে বলেছেন, বৈঠকে কেউ কেউ বলেছেন— স্বাধীন বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ থাকা উচিত নয়। তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করেছেন তারা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা শ্রমজীবীদের প্রতিনিধি এবং ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন। তারা সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের নানা প্রস্তাব কমিটিতে উত্থাপন করেছেন। বেলা সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৬টা পর্যন্ত এই বৈঠক হয়েছে।
বৈঠকে সংরক্ষিত নারী আসন ও জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদের উচ্চকক্ষসহ রাষ্ট্র এবং সরকারের সর্বক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব চেয়েছেন শ্রমজীবীরা। অন্যদিকে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকের মতো সব নাগরিক সুবিধা ও অধিকারের নিশ্চয়তা চেয়েছে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃগোষ্ঠীরা।
রাতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বৈঠকে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো এবং লিখিত আকারে কমিটিতে পাঠানো প্রস্তাবগুলো বিশেষ কমিটির প্রস্তুত করা রিপোর্টে উল্লেখ থাকবে।
কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, কমিটির সদস্য ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, কমিটির সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, কমিটির সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, কমিটির সদস্য সাকিলা ফারজানা ও মাহমুদুল হক রুবেল উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কমিটির বিশেষ আমন্ত্রণে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, আন্না মিনজ ও মাধবী মারমা বৈঠকে অংশ নেন।



