Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের চিকিৎসার খরচ জুগিয়ে নিঃস্ব ইয়াকুব
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

দ্য এজ মালয়েশিয়ার প্রতিবেদন

এস আলমের মালয়েশিয়ার হোটেল ব্যবসাও নজরদারিতে

  • চাপে এস আলমের বৈশ্বিক সাম্রাজ্য
অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ২২:১১
এস আলমের মালয়েশিয়ার হোটেল ব্যবসাও নজরদারিতে

রেনেসাঁ কুয়ালালামপুর হোটেল ও ফোর পয়েন্টস বাই শেরাটন হোটেল

বাংলাদেশের বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম নামে বেশি পরিচিত মোহাম্মদ সাইফুল আলমকে ঘিরে বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপ। বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর ও সাইপ্রাসের কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে বৃহৎ পরিসরের অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ স্থানান্তরের অভিযোগে চালিয়ে যাচ্ছে তদন্ত।

মে মাসে মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। সাইপ্রাসের একটি আদালত এস আলম ও তার স্ত্রীর যৌথ মালিকানাধীন একটি বিলাসবহুল সম্পত্তি জব্দ করে। একই সময়ে বাংলাদেশে একটি আদালত ঋণ খেলাপির মামলায় তাকে অনুপস্থিত অবস্থায় পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেন। অন্যদিকে সিঙ্গাপুরে তার এক বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য নিয়ে অব্যাহত রয়েছে তদন্ত।

মালয়েশিয়ার হোটেল সম্পদ নজরদারিতে

বর্তমানে বিশেষ নজর পড়েছে কুয়ালালামপুরে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি বড় সম্পদের ওপর। এগুলো হলো রেনেসাঁ কুয়ালালামপুর হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার এবং এর পাশের ফোর পয়েন্টস বাই শেরাটন কুয়ালালামপুর সিটি সেন্টার।

হোটেল দুটির মালিক ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনাল এসডিএন বিএইচডি, যা এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা যায়। কুয়ালালামপুরের কেন্দ্রস্থলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত এই সম্পদগুলো বাংলাদেশের বাইরে এস আলমের সবচেয়ে দৃশ্যমান বিনিয়োগের মধ্যে অন্যতম।

২০১৬ সালে আইজিবি বিএইচডি মূল রেনেসাঁ হোটেলটি ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনালের কাছে ৭৬ কোটি ৫০ লাখ রিঙ্গিতে বিক্রি করেছিল।

ভেনচুরা ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির তথ্য অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ওয়াইআইএফ হোল্ডিং মালয়েশিয়া এসডিএন বিএইচডির হাতে আছে প্রতিষ্ঠানটির ১০০ শতাংশ মালিকানা।

ওয়াইআইএফ হোল্ডিং মালয়েশিয়ার তথ্য অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ওং ওয়াই চিয়ং, পু সিন ইয়ে এবং আরিভালাগান চোকালিংগামের পরিচালক। সম্পূর্ণভাবে সিঙ্গাপুরের ওয়াইআইএফ হোল্ডিং পিটিই লিমিটেডের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি।

যদিও মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ এখনো এসব হোটেলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়নি, তবে সূত্রগুলো বলছে, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশের প্রচেষ্টা জোরদার হওয়ায় গ্রুপটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পদগুলো আরও বেশি নজরদারির মুখে পড়তে পারে।

স্থানীয় সূত্রগুলো দ্য এজকে বলেছে, কুয়ালালামপুরের ওই দুটি হোটেল আনুষ্ঠানিকভাবে কখনো বিক্রির জন্য বাজারে উপস্থাপন করা হয়নি। এ দুই হোটেলে মোট ৯১৯টি কক্ষ আছে।

তবে কয়েক বছর আগে মালিকপক্ষ এগুলোর সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্য ঠিক করেছিল বলে জানা যায়। দুটি সম্পদের জন্য ১২৫ কোটি রিঙ্গিত বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছিল তারা।

তবে সম্পত্তি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন এজেন্টের মতে, এই মূল্য কিছুটা বেশি। তাঁদের ধারণা, হোটেল দুটির যৌক্তিক বাজারমূল্য ৮৫ কোটি থেকে ৯৫ কোটি রিঙ্গিতের মধ্যে হওয়া উচিত।

তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর

বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে, কারণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন। এটি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার বৈঠকে শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এস আলম গ্রুপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি সম্পদ যেখানে অবস্থিত, সেই দেশেই তারেক রহমানের প্রথম সফর প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে।

সফরের অন্যতম অগ্রাধিকার হবে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুরোপুরি উন্মুক্ত করা। অতীতে অতিরিক্ত নিয়োগ ফি, ঋণের বোঝা এবং শ্রমিক শোষণের অভিযোগ ওঠায় আরও স্বচ্ছ নিয়োগব্যবস্থা চালুর পক্ষে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ।

আরও বিস্তৃত হচ্ছে আন্তর্জাতিক তদন্ত

গত ১৯ মে সাইপ্রাসের একটি আদালত বাংলাদেশি অর্থপাচার তদন্তের আবেদনের ভিত্তিতে এস আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি আবাসিক সম্পত্তি জব্দ করে। বাংলাদেশের অভিযোগ, বিভিন্ন কোম্পানি ও ট্রাস্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ৮০০ কোটি ইউরোর বেশি অর্থ বিদেশে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এর পরদিন বাংলাদেশে একটি আদালত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ না করার মামলায় এস আলম ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে পাঁচ মাসের দেওয়ানি কারাদণ্ড দেন।

২০২৩ সালে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব পাওয়া এস আলমকে ঘিরে তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন সিঙ্গাপুর। বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের দাবি, অনুমোদন ছাড়াই দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া অর্থ ব্যবহার করে বিদেশে হোটেল, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও করপোরেট বিনিয়োগ নিয়ে একটি বিশাল ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন তিনি।

ওই ঋণের অর্থ সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ এবং জার্সিতে নিবন্ধিত বিভিন্ন কোম্পানি ও ট্রাস্টের জটিল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল কি না, খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল নামে সাইপ্রাসে নিবন্ধিত একটি কোম্পানিও তদন্তের আওতায়। একলেয়ার ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড কিনে নেওয়ার মাধ্যমে ২০১৬ সালে এই কোম্পানির মালিকানা পান এস আলম।

একই বছর সাইপ্রাসের তথাকথিত ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট’ বা বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার কর্মসূচির আওতায় দেশটির নাগরিকত্ব পান এস আলম। পরবর্তী সময়ে এই কর্মসূচি বন্ধ করে দেয় সাইপ্রাস সরকার।

সাইপ্রাসের কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, বাংলাদেশি তদন্তকারীরা ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এস আলম এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক লেনদেন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করছেন। এস আলমের আন্তর্জাতিক আইনজীবী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছে কুইন ইমানুয়েল উরকহার্ট অ্যান্ড সুলিভান।

যদিও সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এস আলম। তার দাবি, বৈধ বিদেশি উৎস থেকে অর্থায়ন করা হয়েছে বিনিয়োগে।

সম্পদ জব্দ, আদালতের আদেশ এবং আন্তঃদেশীয় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই এস আলমকে ঘিরে চাপ বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আর্থিক অপরাধ তদন্তগুলোর একটি। আর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এস আলমের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কও আরও ঘনিষ্ঠ নজরদারির আওতায় চলে আসছে ক্রমশ।

এস আলমদ্য এজ মালয়েশিয়ামালয়েশিয়ার হোটেল ব্যবসা
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৭ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    সেনেগাল
    ০
    ১৭ জুন ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    ইরাক
    ০
    নরওয়ে
    ০
    ১৭ জুন ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    আলজেরিয়া
    ০
    ১৭ জুন ২০২৬
    সকাল ১০:০০ টা
    অস্ট্রিয়া
    ০
    জর্ডান
    ০
    ১৭ জুন ২০২৬
    রাত ১১:০০ টা
    পর্তুগাল
    ০
    কঙ্গো
    ০
    ঐতিহ্য রক্ষায় সার্কাস ও যাত্রাশিল্পীদের নিয়ে শিল্পকলা একাডেমির কর্মশালা

    ঐতিহ্য রক্ষায় সার্কাস ও যাত্রাশিল্পীদের নিয়ে শিল্পকলা একাডেমির কর্মশালা

    ১৭ জুন ২০২৬, ০০:০০

    advertiseadvertise