Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
উপকূলে অল্পনার আশার বীজ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় খোলা হাওয়া

ছয় দশকের পরিচয়

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৫
ছয় দশকের পরিচয়

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে লেখক ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে আমার পরিচয় ছয় দশকের বেশি পুরনো। ১৯৬৩ সালে ঢাকা কলেজে ভর্তি হওয়ার সময় যে সম্পর্কের শুরু, তা পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবন, ছাত্ররাজনীতি, শিক্ষকতা এবং পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনের নানা বাঁক পেরিয়ে আজও অটুট রয়েছে। ১৯৬৩ সালে আমি ম্যাট্রিক পাস করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হই। সায়েন্সে পড়লেও আর্টসের অনেক ছাত্রের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব ছিল। সে সূত্রেই প্রথম মির্জা আলমগীরের সঙ্গে পরিচয়। একই সময়ে পরিচয় হয় ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সঙ্গেও।

ব্যক্তিগতভাবে ফখরুল ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বন্ধুবৎসল। আলমগীর ঢাকা কলেজের পেছনের হোস্টেলে থাকত। আমি থাকতাম বাসায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকার সময় আমাদের যোগাযোগ আরও ঘনিষ্ঠ হয়। ছাত্ররাজনীতি আমাদের সম্পর্ককে আরও কাছে নিয়ে আসে।

আলমগীরের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন— এপসুকেন্দ্রিক রাজনীতিতে আমাদের যোগাযোগ আরও বাড়ে।

১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে ভর্তি হলাম। কাকতালীয়ভাবে আলমগীরও অর্থনীতিতে ভর্তি হলো। ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, মির্জা আলমগীর, আনিসুজ্জামান মাহমুদসহ আমরা একই ব্যাচে ছিলাম। আমাদের ব্যাচটি ছিল অত্যন্ত পরিচিত ও মেধাবী একটি ব্যাচ।

আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এপসু ইউনিটের সভাপতি ছিলেন। মধুর ক্যানটিন, এসএম হল, আমতলা— এসব জায়গায় আমাদের সভা-সমাবেশ ছিল নিয়মিত ঘটনা।

১৯৬৯-এর আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আইয়ুব খানের গভর্নর মোনায়েম খানের সমর্থিত ন্যাশনাল স্টুডেন্ট ফেডারেশন-এনএসএফ— আমাদের আন্দোলনের বিরোধিতা করত। আলমগীরও তখন অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। একপর্যায়ে তাকে ভয়াবহভাবে মারধর করা হয়।

রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে ব্যক্তিগতভাবে সে ছিল আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তার সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব ছিল দীর্ঘদিনের। আমি বেশ কয়েকবার তার ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে গিয়েছি। তার আব্বাকে বহুবার দেখেছি।

শিক্ষানুরাগী মির্জা রুহুল আমীন ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের পরিচিত মানুষ। দীর্ঘদিনের এমপি এবং এলাকায় জনপ্রিয়তা ছিল। ‘চখা মিঞা’ নামে পরিচিত ছিলেন। ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় রাজনীতি ও মানুষের সঙ্গে আলমগীরের যোগাযোগও ছিল গভীর।

ছাত্রজীবন শেষে আমরা যে যার পথে গেলাম। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যোগ দিলাম। আলমগীর বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দিয়ে সরকারি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করল। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছে। শিক্ষক হিসেবেও সে ভালো পরিচিতি তৈরি করেছিল।

পরে শিক্ষকতা ছেড়ে রাজনীতিতে যুক্ত হয়।

রাষ্ট্রপতিমির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise