সূচক-লেনদেনে ধাক্কা, চাপে শেয়ারবাজার

সপ্তাহের শুরতেই বড় পতনের মুখে দেশের উভয় শেয়ারবাজার। এর মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক এবং লেনদেনের উভয়ক্ষেত্রে পতন দিয়ে শেষ হয়েছে দিন। সূচক পতনের একই চিত্র অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচেঞ্জেও (সিএসই)। তবে লেনদেন বেড়েছে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে।
গত সপ্তাহে সূচকের টানা পতন হলেও লেনদেনে ছিল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। বুধবার পতনের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে লেনদেনের সঙ্গে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় দিন শেষ হয়। তবে একদিন পরেই নেতিবাচক ধারায় ফেরে উভয় শেয়ারবাজার। সেই ধারাবাহিকতায় রবিবার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস পতনের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি।
দীর্ঘদিন পর সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন হওয়ার পর অনেকেই আশা করেছিলেন এবার হয়তো দেশের শেয়ারবাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরবে। কিন্তু আমেরিকা ও ইসরায়েলের ইরান আক্রমণের পর থেকেই বিশ্বব্যাপী অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে, যার বাইরে ছিল না দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। ফলে শেয়ারবাজারেও এর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিনিয়োগকারীদের মাঝে ব্যাপক আস্থা সংকট দেখা দেয়। যার কারণে মাসের বেশি সময় ধরে কখনো সূচক আবার কখনো লেনদেনে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
আজ দিন শেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১০৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ১১২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৪১ পয়েন্টে এবং ডিএসই–৩০ সূচক ৩৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৯৪৫ পয়েন্টে।
দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৫টির, দর কমেছে ৩৫৪টির এবং দর অপরিবর্তিত ১১টির। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫১১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৬২৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২২৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৪৭৩ পয়েন্টে। সিএসইতে ১৯০টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৩টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৪৮টির এবং ৯টির দর অপরিবর্তিত। সিএসইতে ৪৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
রবিবার ডিএসইতে শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে রংপুর ফাউন্ডারি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৭ শতাংশ। এর পরে রয়েছে ডেফোডিল কম্পিউটার্স পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৭.৭৫ শতাংশ। এরপরে রয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, জনতা ইন্স্যুরেন্স, কেডিএস এক্সেসরিজ, এপেক্স ট্যানারি, এপেক্স স্পিনিং, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক এবং ডরিন পাওয়ার।















