বীমা ব্যক্তিত্ব এম এ সামাদের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী

এম এ সামাদ
আগামীকাল ১৭ অক্টোবর, বাংলাদেশ জেনারেল ইনসিওরেন্স কোম্পানি পিএলসি. (বিজিআইসি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশে বীমা শিল্পের অন্যতম পথিকৃত, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, বিশিষ্ট বিমা ব্যক্তিত্ব এম এ সামাদের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী এম এ সামাদ রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা করপোরেশনের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর ১৯৮৫ সালে বেসরকারি খাতের প্রথম নন-লাইফ বীমা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জেনারেল ইনসিওরেন্স কোম্পানি পিএলসি. (বিজিআইসি) প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত জীবনবিমার একজন লিজেন্ড হয়েও তিনি সাধারণ বিমার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশ ইনসিওরেন্স একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা-পরিচালক এবং বাংলদেশ ইনসিওরেন্স এসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান। বাংলা ও ইংরেজিতে তিনি জীবনবীমার ওপর তিনটি এবং সাধারণ বীমার ওপর একটি বই রচনা করেছেন, যা দেশে-বিদেশে বিপুলভাবে সমাদৃত।
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্পর্কিত টেকনিক্যাল এসিসটেন্স প্রোগ্রামে একজন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাকে তালিকাভুক্ত করা হয়। তিনি ইউএনডিপির অধীনে বিমাশিল্পে ফেলোশীপ সংক্রান্ত অনুষ্ঠান সমূহে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। এম এ সামাদ ১৯২৩ সালের ১ জানুয়ারি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।



