আমতলীর ব্যস্ত চৌরাস্তায় নেই ট্রাফিক বক্স, ভোগান্তিতে পুলিশ

বাঁধঘাট চৌরাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ বক্স না থাকায় প্রচণ্ড রোদ, বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের। ছবি: আগামীর সময়
বরগুনার আমতলী পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাঁধঘাট চৌরাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ বক্স না থাকায় প্রচণ্ড রোদ, বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের। যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দীর্ঘ সময় সড়কে দাঁড়িয়ে কাজ করছেন তারা। প্রতিকূল আবহাওয়ায় অনেক সময় আশ্রয় নিতে হচ্ছে রাস্তার পাশের দোকানে। এ অবস্থায় চৌরাস্তাটিতে দ্রুত একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বাঁধঘাট চৌরাস্তা ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। এ পথে প্রতিদিন যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয় যানবাহনের পাশাপাশি দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল করায় মোড়টিতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সার্বক্ষণিক তৎপর থাকতে হয়।
কিন্তু দায়িত্ব পালনের জন্য সেখানে নির্ধারিত আশ্রয়স্থল না থাকায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন তারা। প্রচণ্ড রোদে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করা কষ্টসাধ্য। বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয় পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। এতে পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও স্বাচ্ছন্দ্য ব্যাহত হচ্ছে।
মানবাধিকারকর্মী আবদুর রহমান সালেহ জানিয়েছেন, ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কটি ব্যস্ততম সড়কগুলোর একটি। এখানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত ও নিরাপদ করা প্রয়োজন, যাতে পুলিশ সদস্যরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও উৎসাহের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
আমতলী থানার ট্রাফিক সাব-ইন্সপেক্টর নারায়ণ চন্দ্র মিত্র জানিয়েছেন, চৌরাস্তায় একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপন করা হলে তাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে ট্রাফিক পুলিশের সেবা পৌঁছে দেওয়াও সহজ হবে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় দায়িত্ব পালনের সময় তাদের অনেক ক্ষেত্রে রাস্তার পাশের দোকানে আশ্রয় নিতে হয়। নির্দিষ্ট পুলিশ বক্স থাকলে প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদে অবস্থান করা সম্ভব হবে।
আমতলী থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সঞ্জীব মিত্র জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানিয়েছেন। সমস্যার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে আমতলীর সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




