Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
দেশে-বিদেশে মানুষের পাশে জিয়াউল হক
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

মধুপুর

আকস্মিক ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ১১০০ বিঘার ফসল

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৫৯
আকস্মিক ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ১১০০ বিঘার ফসল

ছবি: আগামীর সময়

ফসল ঘরে তোলার অপেক্ষায় ছিলেন কৃষকেরা। কলাগাছে ধরেছিল কাঁদি, আনারসের বাগানে এসেছিল ফলনের সময়, পেঁপে ও সবজি বাগানেও ছিল আশাব্যঞ্জক ফলন। কিন্তু বুধবার দুপুরে মাত্র কয়েক মিনিটের আকস্মিক ঝড়ে মধুপুরের পাহাড়ি বনাঞ্চলের শত শত কৃষকের সেই স্বপ্ন লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।

কোথাও সারি সারি কলাগাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস ও পেঁপের বাগান। ঝড়ে সবজি ক্ষেতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা।

আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মধুপুর উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। এতে উপজেলার অরনখোলা, শোলাকুড়ী, ফুলবাগচালা ইউনিয়নের প্রায় সকল গ্রামের আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, ঝড়ের তীব্রতায় অধিকাংশ কলাগাছের মাজা ভেঙে গেছে। ফলন্ত কলাগাছ উপড়ে বা হেলে পড়ায় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পেঁপের বাগানেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের সবজি ক্ষেতও ঝড়ের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেছেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি আনারস ও কলাবাগানে বিনিয়োগ করেছি। অনেক দিন ধরে পরিচর্যা করেছি। ফসল বিক্রি করে পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর স্বপ্ন ছিল। কিন্তু হঠাৎ ঝড়ে চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল। এখন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াব, সেটাই বুঝতে পারছি না।

আরেক কৃষক লালচাদের ভাষ্য, একটি কলাগাছ তৈরি করতে কয়েক মাস সময় ও টাকা লাগে। ফলন আসার পর যদি গাছ ভেঙে যায়, তাহলে পুরো বিনিয়োগই অনেকটা নষ্ট হয়ে যায়। আমাদের মতো ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য এই ক্ষতি সামাল দেওয়া খুব কঠিন।

এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা বলছেন, কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া বা একটি আনারসগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কৃষকের ঋণ, শ্রম, পরিবারের খরচ এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন। অনেক কৃষক ধারদেনা করে বাগানে বিনিয়োগ করেছেন। ফলে ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি তাদের আর্থিক সংকট আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঝড়ের পর বিভিন্ন বাগানে গিয়ে দেখা যায়, মাঠজুড়ে ভেঙে পড়া কলাগাছ ও ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের চিত্র। কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত বাগান ঘুরে দেখছেন এবং যেসব গাছ কিছুটা রক্ষা পেয়েছে, সেগুলো টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।

অরনখোলা ইউনিয়নের আমলিতলা এলাকার আজিজুলের ভাষ্য,  ৪৫ শতাংশ জমিতে ৫০০ কলা চাষ করেছি। এনজিও থেকে ৮০ হাজার টাকা লোন নিয়েছি। এই কলার ফলন বিক্রি করেই লোনের টাকা পরিশোধ করব। সেই স্বপ্ন আজ এক মিনিটের ঝড়ে শেষ।

সাইফুল ইসলাম স্পষ্ট করেন, ২৮ বিগা জমিতে ৫ হাজার কলা চাষ করেছি। সেই সব কলা ঝরে পড়ে গেছে। এদিকে ৪১০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। ২০ দিন আগে। এর বিপরীতে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জামানত দিয়েছে ক্রেতা জালাল উদ্দীন।

এ বিষয়ে মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, মধুপুরে কয়েক মিনিটের ঝড়ে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আপাতত আমার কাছে যে ক্ষতির হিসাব এসেছে সে তালিকা অনুযায়ী কলার বাগান রয়েছে প্রায় ৯০০ বিঘা এবং পেঁপে বাগান রয়েছে প্রায় ২০০ বিঘা।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, কৃষকের বেশকিছু কলার বাগান বিক্রি করেছে। সেক্ষেত্রে ক্রেতাদের কাছে অগ্রিম টাকা ও নেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র ক্রেতারা ধাপে ধাপে কলার কাঁদি কেটে নিবে।

মধুপুরঝড়ফসল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’ বলা সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’ বলা সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে