Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনা ভাড়ায় শিক্ষার্থীদের খেয়া পার
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালিমা লেপন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৩৬
রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালিমা লেপন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিবাদ

ছবি: আগামীর সময়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অন্যান্য লেখক ও চলচ্চিত্রকারের গ্রাফিতিতে কালিমা লেপনের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোমবাতি প্রজ্বালন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন সোনালি সকাল।

আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মুখে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠকরা অংশ নেন।

কর্মসূচির শুরুতে সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে মোমবাতি প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে শিল্প-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর আঘাতের প্রতিবাদ জানানো হয়।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি দেওয়া নিছক কোনো দেয়ালচিত্র বিকৃতির ঘটনা নয়; বরং এর মধ্য দিয়ে বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়, মুক্তচিন্তা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ওপর আঘাত হানা হয়েছে। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে রবীন্দ্রনাথকে বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিসর থেকে বিচ্ছিন্ন করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, বর্তমানের এ ধরনের কর্মকাণ্ড তারই প্রতিধ্বনি বলে তারা মনে করেন।

রবীন্দ্রনাথকে মুছে ফেলে বাঙালির ইতিহাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশধারা মুছে ফেলা সম্ভব নয়। এ ধরনের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক সমাজকে আরও সোচ্চার ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বক্তারা ১৯৬১ সালে পাকিস্তানি শাসনামলে রবীন্দ্রচর্চা ও তার সাংস্কৃতিক অবস্থান নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তারা বলেছেন, তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর একাংশ রবীন্দ্রনাথকে পূর্ব বাংলার মানুষের সাংস্কৃতিক পরিচয় থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছিল। তার গান ও সাহিত্যকে বাঙালি মুসলমানের সংস্কৃতির অংশ নয় বলে প্রতিষ্ঠা করার প্রবণতা এবং বেতার ও পাঠ্যপুস্তকে রবীন্দ্রচর্চা সীমিত করার উদ্যোগ ছিল বাঙালির ভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।

বক্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতের সেই সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদী চিন্তারই প্রতিধ্বনি দেখা যাচ্ছে বর্তমানে রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য শিল্পীর সৃষ্টিকর্ম এবং প্রতিকৃতিকে অবমাননার মধ্য দিয়ে।

তারা আরও বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীর একক সম্পদ নন; তিনি সমগ্র বাঙালির সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সাহিত্য, সংগীত ও দর্শন মানুষের মুক্তি, মানবিক মর্যাদা, অসাম্প্রদায়িকতা এবং স্বাধীন চিন্তার কথা বলে। সেই রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে বিদ্বেষ ছড়ানো কিংবা তার সৃষ্টিকর্ম ও প্রতিকৃতিকে অবমাননা করার মাধ্যমে বাঙালির বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে দুর্বল করার চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

বক্তারা বাংলা সাহিত্য, সংগীত, কবিতা, নাটক ও শিল্পকলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরে বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ শুধু বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টাই নন, তিনি বাঙালির মনন, মানবিক মূল্যবোধ, প্রকৃতিপ্রেম ও বিশ্বজনীনতার এক অনন্য প্রতীক। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বপরিসরে বিশেষ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেন। তার রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। ফলে তার সৃষ্টিকর্মের অবমাননাকে তারা জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি অসম্মান হিসেবেও বিবেচনা করেন।

বক্তারা বলেছেন, জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকর্মকে অবমাননা করা এবং জাতীয় সংগীতের মর্যাদাকে খাটো করার যেকোনো প্রচেষ্টা দেশের সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত। জাতীয় সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিসংগ্রাম ও সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের প্রতি সম্মান জানানোর অংশ। তাই জাতীয় সংগীত ও তার রচয়িতাকে ঘিরে বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে বিরোধিতা কিংবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে বক্তারা বলেছেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীর আপত্তিকে অজুহাত করে রবীন্দ্রনাথকে জাতীয় জীবন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

তাদের মতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, জাতীয় সংগীত এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রশ্নে অসহিষ্ণুতা ও অবমাননাকর অবস্থানের বিরুদ্ধে নৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী অবস্থানের প্রতিবাদে তারা সামাজিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বক্তারা আরও বলেছেন, বিভিন্ন সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অন্যান্য শিল্পীর ভাস্কর্য ভাঙচুর, প্রতিকৃতি বিনষ্ট এবং শিল্প-সাহিত্যের নিদর্শন অবমাননার ঘটনা একটি উদ্বেগজনক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। মতপার্থক্য প্রকাশের অধিকার থাকলেও তার নামে শিল্পকর্ম ধ্বংস বা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের অবমাননা করার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। শিল্প-সংস্কৃতি মানুষের স্বাধীন চিন্তা ও সৃজনশীলতার পরিসর; এই পরিসর সংকুচিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা প্রয়োজন।

কর্মসূচি থেকে বক্তারা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শনাক্তকরণ এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানালেন। তারা বলেছেন, শুধু নিন্দা জানিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না; সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আহ্বায়ক সাংবাদিক আব্দুন নূর, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংসদের সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত, রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি অধ্যাপক মানবর্ধন পাল, সোনালি সকালের সাধারণ সম্পাদক রুপম রূপ, তরী বাংলাদেশের সভাপতি শামীম আহমেদ, কবির কলমের সভাপতি হুমায়ুন কবির, খেলাঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার এবং বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংগঠক জুবায়েদ আহমেদ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংসদের সংগঠক আহমেদ হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সভাপতি সাথী চৌধুরী, গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আহ্বায়ক শাহাজাহান সোহেল, রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ডা. অরুনাভ পোদ্দার, তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারী পরিচালক সুজন সরকার ও সংগঠক আনিসুর রহমান, অক্ষর আলাপনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আহ্বায়ক ওমর ফারুক এবং চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সংগঠক ইমাম হোসেন রাফি।

কর্মসূচিতে আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন ফাহিমা সুলতানা, মোজাম্মেল আহমেদ, বশির আহমেদ, ফাইয়াজ ফারসিদ মুবিন, মীম আক্তার, মার্জিয়া আক্তার ও তাউসিদ আলম তাজিম। আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শিল্প-সাহিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সৃজনশীলতার স্বাধীনতা রক্ষার বার্তা তুলে ধরা হয়।

পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সোনালী সকালের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মুনতাসির। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা শিল্প-সংস্কৃতির ওপর যেকোনো ধরনের আঘাতের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারা বলেছেন, রবীন্দ্রনাথকে অবমাননা করে বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয় মুছে ফেলা যাবে না। ইতিহাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উত্তরাধিকার রক্ষায় প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদা রক্ষা, মুক্তচিন্তার পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিল্পী-সাহিত্যিকদের সৃষ্টিকর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই একটি মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

রবীন্দ্রনাথব্রাহ্মণবাড়িয়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    গণি রোড থেকে সরছে সচিবালয়, বসবে আদালত

    গণি রোড থেকে সরছে সচিবালয়, বসবে আদালত

    পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে ঢাবিতে তড়িঘড়ি ভাইভা!

    পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে ঢাবিতে তড়িঘড়ি ভাইভা!

    বেতন নাকি শেখার সুযোগ— কোনটি বেছে নেবেন

    বেতন নাকি শেখার সুযোগ— কোনটি বেছে নেবেন

    মামলা না করার শর্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে টাকা নেন বীথির স্বামী

    মামলা না করার শর্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে টাকা নেন বীথির স্বামী

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা

    বিএনপির এমপির সুপারিশে মাদ্রাসার সভাপতি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

    বিএনপির এমপির সুপারিশে মাদ্রাসার সভাপতি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

    সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    লেনদেনের আড়ালে কারসাজি খুঁজতে হবে: বিএসইসি কমিশনার

    লেনদেনের আড়ালে কারসাজি খুঁজতে হবে: বিএসইসি কমিশনার

    শেয়ালের আঁচড়ের পর ঝাড়ফুঁক, দেড় মাস পর মৃত্যু

    শেয়ালের আঁচড়ের পর ঝাড়ফুঁক, দেড় মাস পর মৃত্যু

    রাস্তা নিয়ে বিরোধে দম্পতিকে মারধর, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    রাস্তা নিয়ে বিরোধে দম্পতিকে মারধর, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    পরিস্থিতি অনুকূল ভেবে চুয়েটে ঢুকে এখন অবরুদ্ধ ভিসি শরীফুল

    পরিস্থিতি অনুকূল ভেবে চুয়েটে ঢুকে এখন অবরুদ্ধ ভিসি শরীফুল

    শেকৃবির হল ক্যান্টিনে পোড়া তেল ব্যবহারের অভিযোগ

    শেকৃবির হল ক্যান্টিনে পোড়া তেল ব্যবহারের অভিযোগ

    ‘একটা আইসিইউ সিটের জন্য শ খানেক ফোন করেছি’

    ‘একটা আইসিইউ সিটের জন্য শ খানেক ফোন করেছি’

    হাসিনা ফিরলে ‘আইনি ব্যবস্থা’, এমপিদের করা হলো সতর্ক

    হাসিনা ফিরলে ‘আইনি ব্যবস্থা’, এমপিদের করা হলো সতর্ক

    রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

    রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদেশিসহ নিহত ১২