Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
দেশে-বিদেশে মানুষের পাশে জিয়াউল হক
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

১২ লাখে মিলল ক্ষুধা, মরদেহ সাগরে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৩:১৭
১২ লাখে মিলল ক্ষুধা, মরদেহ সাগরে

ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

স্বপ্ন ছিল গ্রিসে গিয়ে দিন-রাত কাজ করবেন। খরচ পাঠাবেন গ্রামে, পরিবারে আসবে সুদিন। সেই স্বপ্নযাাত্রা পরিণত হয়েছে অন্তিমযাত্রায়। ক্ষুধায়-তৃষ্ণায় নৌকায় প্রাণ হারালেন টগবগে যুবকরা। দেহ ভাসল ভূমধ্যসাগরে।

লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশে সাগরপাড়ি দিচ্ছিল অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা। শনিবার সেই নৌকায় থাকা ২২ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে গ্রিসের কোস্টগার্ড কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে অন্তত ১০ যুবক বাংলাদেশি। তাদের বাড়ি সুনামগঞ্জে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকার বিনিময়ে দালালদের মাধ্যমে গ্রিসে যাচ্ছিলেন তারা। নৌকায় খাবার ও পানির অভাবে হয়েছে মৃত্যু তাদের।

স্থানীয়রা বলেছেন, দালালদের মাধ্যমে তিন থেকে চার মাস আগে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন এই যুবকরা। সুদিনের আশায় জমিজমা বিক্রি করে ছেলেকে দালালের হাতে তুলে দিয়েছিল পরিবারগুলো। এখন সব হারিয়ে পাগলপ্রায় স্বজনরা।

জেলা পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তথ্য- শনিবারের ওই ঘটনায় মৃতদের মধ্যে আছেন জগন্নাথপুর উপজেলার পাঁচজন, দিরাই উপজেলায় চারজন এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার একজন। পুলিশ এই জেলার আরও দুজনের মৃত্যুর কথা শুনলেও তা এখনো নিশ্চিত করেনি।

মৃত যুবকরা হলেন, জগন্নাথপুরের পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের আমিনুর রহমান (৩৫), একই উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের টিয়ারগাঁও গ্রামের শায়ক আহমদ (২০) ও ইছগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ আলী (৩০) এবং চিলাউড়া গ্রামের মো. নাঈম আহমদ ও মো. মনির। দিরাইয়ের কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের শাহিন মিয়া (২৫), নূরুজ্জামান সরদার ময়না (৩০) ও সাজিদুর রহমান (২৮), চরনারচর ইউনিয়নের ররনারচর গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা যুবদলের সদস্য মজিবুর রহমানও (৩৭) মারা গেছেন এ ঘটনায়। আর দোয়ারবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের কবীরনগর গ্রামের আবু ফাহিম নামে আরেক যুবকের মৃত্যু রবিবার নিশ্চিত করেছে জেলা পুলিশ।

‘আমার ইউনিয়নের নাঈম আহমদ ও মনির মিয়া লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে মারা গেছে। আমাদের উপজেলার আরও তিনজন মারা গেছে। প্রশাসন তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলছে’- তথ্য জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুলের। গ্রিসে যেতে প্রত্যেকে ১২-১৩ লাখ টাকা করে দালালদের দিয়েছিলেন বলে দাবি তার।

‘নৌকায় খাবার-পানি না পেয়ে তারা মারা গেছে। মরদেহ পরে সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছে’- জানালেন চেয়ারম্যান বকুল।

‘দালালরা সহজ-সরল মানুষদের প্ররোচিত করে সর্বস্ব বিক্রি করে টাকা নিয়েছে। এখন পথে তাদের সন্তানদেরও মেরে ফেলেছে’- ক্ষোভ চেয়ারম্যানের।

দিরাইয়ের তারাপাশা গ্রামের উমেদ আলী এ ঘটনায় হারিয়েছেন তার ভাগ্নেকে। ‘আমরা আমাদেরই এলাকার এক দালালের মাধ্যমে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করেছিলাম। বেশিরভাগ টাকাই লিবিয়া নেওয়ার পর নিয়ে গেছে। এখন পরিবারটি নিঃস্ব। তাদের সন্তানও চিরদিনের জন্য হারিয়েছে।’

‘তাদেরকে উপাস রাইখা মারছে ওরা (দালালরা)’- বিলাপ করছিলেন আরেক স্বজন। পরিবারগুলোর এখন একটাই দাবি, বিচার করতে হবে সেই দালালদের।

‘প্রথমে দিরাই ও জগন্নাথপুরের ৯ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পরে জানলাম দোয়ারাবাজারের একজন মারা গেছে। আরও দুইজনের খবর শুনেছি, তবে এখনো নিশ্চিত নই’- বললেন পুলিশ পরিদর্শক মো. আজিজুর রহমান। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানালেন তিনি।

সুনামগঞ্জগ্রিসভূমধ্যসাগর
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’ বলা সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’ বলা সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    সুলতানার উঠানের বীজ ছড়িয়েছে ১৩ গ্রামে

    সুলতানার উঠানের বীজ ছড়িয়েছে ১৩ গ্রামে

    আদর্শ আর নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে খণ্ড-বিখণ্ড বাম

    আদর্শ আর নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে খণ্ড-বিখণ্ড বাম