ফুলদী নদীতে সেতুর কাজ শুরু আগামী বছর: সেতুমন্ত্রী

ফুলদী নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
মুন্সীগঞ্জে রসুলপুর ফেরিঘাট সংলগ্ন ফুলদী নদীতে সেতু নির্মাণের প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলতি বছরেই শেষ হবে। আগামী বছর সেতুটির ভৌত নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে গজারিয়ার ফুলদী নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি প্রকল্পের দুটি ধাপ থাকে। একটি হলো প্রকল্প গ্রহণ, উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন ও অনুমোদন। অন্যটি হলো ভৌত কাজ।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা কয়েকটি ইউটার্ন বন্ধে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি নিয়ে ভাবা শুরু করেছি। আগে তো এসব নিয়ে কথাই হতো না। আমরা অ্যানালাইসিস করে দেখছি, কী কারণে এবং কেন ইউটার্নগুলোতে দুর্ঘটনা ঘটছে। কিছু ইউটার্ন আছে, যেগুলো অপরিকল্পিত। আবার কিছু এমন জায়গায় রয়েছে, যেখানকার ইউটার্ন বন্ধ করলে মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে অনেক দূর ঘুরে আসতে হবে। আমরা বিষয়গুলোর বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধানের চেষ্টা করছি।’
নিরাপদ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দুর্ঘটনায় অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চান তারা। ২০২৭ সালের মধ্যে নিরাপদ সড়ক আইন পাসের বিষয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথাও জানান তিনি।
বিশ্বব্যাংক ও দেশের নিজস্ব উদ্যোগে বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম দাবি করেন, এসব কাজ সম্পন্ন হলে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাফসা নাদিয়া এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোছাইন। এ ছাড়া স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।



