Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষকের তৃষ্ণা মেটান আকরাম
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল

৬ বছর ধরে নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, ভোগান্তিতে রোগীরা

শেখ সোহেল, বাগেরহাট
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:১৮
৬ বছর ধরে নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, ভোগান্তিতে রোগীরা

ছবি: আগামীর সময়

বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ছয় বছর ধরে নেই কোনো চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। হাসপাতালটিতে চক্ষু বিশেষজ্ঞের দুটি অনুমোদিত পদ থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে দুটিই শূন্য। ফলে চোখের নানা সমস্যা নিয়ে সরকারি এই হাসপাতালে আসা রোগীদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা না পেয়ে বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা জেলার বাইরে যেতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসার পাশাপাশি বাড়ছে যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এই বাড়তি ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

বাগেরহাটের নয়টি উপজেলা থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন জেলা হাসপাতালটিতে। বিশেষ করে কচুয়া, মোরেলগঞ্জ, রামপালসহ দূর-দূরান্তের রোগীদের অন্যতম ভরসা এই সরকারি হাসপাতাল।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোগীকে বহির্বিভাগ ও অন্যান্য সেবা দেওয়া হয়। এর মধ্যে চোখের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যাও কম নয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চক্ষু বিশেষজ্ঞ না থাকায় এসব রোগীকে বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য বিকল্প প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের জন্য দুটি অনুমোদিত পদ থাকলেও বর্তমানে দুটিই শূন্য। দীর্ঘ ছয় বছর ধরে পদ দুটি পূরণ না হওয়ায় সরকারি ব্যবস্থায় বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জেলার সাধারণ মানুষ।

চোখের সমস্যা নিয়ে জেলা হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হলে তাদের বাগেরহাট শহরের বেসরকারি চক্ষু হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। আবার উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অস্ত্রোপচার কিংবা জটিল চিকিৎসার জন্য অনেককে খুলনা বা গোপালগঞ্জে যেতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে সময় ও যাতায়াতের ভোগান্তিও পোহাতে হচ্ছে তাদের।

কচুয়া থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী পারমিতা মিত্র বলেন, সরকারি হাসপাতালে চোখের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকলে এখানেই চিকিৎসা নিতে পারতাম। চিকিৎসক না থাকায় বাইরে যেতে হচ্ছে। এতে খরচও বেশি হচ্ছে।

রোগীর স্বজন সূর্য বলেন, জেলা হাসপাতালেই যদি চক্ষু বিশেষজ্ঞ থাকতেন তাহলে চোখের সমস্যা নিয়ে বাইরে যেতে হতো না। সরকারি হাসপাতালে এই সেবাটা থাকা দরকার।

রামপাল থেকে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগী বলেন, চোখের সমস্যা নিয়ে অনেক দূর থেকে জেলা হাসপাতালে এসেছি। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করালে খরচ কম হবে—এই আশায় এসেছিলাম। কিন্তু এখানে চক্ষু বিশেষজ্ঞ না থাকায় বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে।

শুধু চক্ষু বিভাগ নয়, বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল সামগ্রিকভাবেই জনবল সংকটে রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এখানে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ ৮৬টি। এর বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৩২ জন। অর্থাৎ অনুমোদিত পদের অর্ধেকেরও বেশি শূন্য রয়েছে।

চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি নার্স ও অন্যান্য কর্মীর ঘাটতিও রয়েছে। নির্ধারিত ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বিভিন্ন সময়ে ৫০০ থেকে ৫৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। ফলে নির্ধারিত শয্যার বাইরে অতিরিক্ত রোগী রেখে চিকিৎসাসেবা দিতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। এতে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে এবং রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুন থেকে সরকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বিভিন্ন আউটসোর্সিং পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। এর আওতায় গ্যালন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে বর্তমানে ৬৬ জন আউটসোর্সিং কর্মী কর্মরত রয়েছেন। তবে হাসপাতালের প্রয়োজনের তুলনায় আরও ২৮ জন কর্মীর ঘাটতি রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে, প্রয়োজনীয় এসব জনবল নিয়োগ দেওয়া গেলে রোগীদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে চাপ কিছুটা কমবে এবং হাসপাতালের দৈনন্দিন কার্যক্রম আরও সহজভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ডেঙ্গু, হামসহ বিভিন্ন রোগীর চাপ এবং প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতি—সব মিলিয়ে বর্তমানে চিকিৎসাসেবা পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীর সংকটের কারণে রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে চলে যাচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের শুরুতে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের নতুন ভবনে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে পুরোনো ভবনেই চিকিৎসাসেবা পরিচালিত হতো। নতুন ভবন ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়লেও প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মী না থাকায় অবকাঠামোগত সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, হাসপাতালে চক্ষু বিশেষজ্ঞের দুটি অনুমোদিত পদ রয়েছে। বর্তমানে দুটি পদই শূন্য। দীর্ঘদিন ধরে চক্ষু বিশেষজ্ঞ না থাকায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, জনবল সংকটের মধ্যেও হাসপাতালের পক্ষ থেকে রোগীদের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। ডেঙ্গু, হামসহ বিভিন্ন রোগীর চাপ রয়েছে। জনবল সংকটের কারণে সবকিছু সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও অনেক সময় ৫০০ থেকে ৫৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য জনবলের ঘাটতি রয়েছে। অনুমোদিত ৮৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৩২ জন। চক্ষু বিশেষজ্ঞসহ শূন্য পদগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল পদায়ন করা হলে রোগীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।

বাগেরহাট জেলা হাসপাতালচক্ষু বিশেষজ্ঞ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি নিয়ে ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি নিয়ে ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়ল

    দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়ল

    ঢাকা কলেজের ৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, ৪২ জনকে ছাড়পত্র

    ঢাকা কলেজের ৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, ৪২ জনকে ছাড়পত্র

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    দিনে কৃষক, রাতে শিক্ষার্থী, দুই ভাই এখন শিক্ষক

    দিনে কৃষক, রাতে শিক্ষার্থী, দুই ভাই এখন শিক্ষক

    বিএনপির আলোচিত সেই নেতাকে সব পদ থেকে বহিষ্কার

    বিএনপির আলোচিত সেই নেতাকে সব পদ থেকে বহিষ্কার

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে হারাম পণ্যের বিল পরিশোধ করা যাবে না

    ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে হারাম পণ্যের বিল পরিশোধ করা যাবে না

    চার জেলায় নতুন ডিসি

    চার জেলায় নতুন ডিসি

    সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও’র আবাসনে হামলার ঘটনায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

    সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও’র আবাসনে হামলার ঘটনায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার