দুর্বল অবস্থানে থেকে চীনে যাচ্ছেন ট্রাম্প

২০২৫ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে এপেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করছেন। ছবি : রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শক্তিশালী অবস্থানে থেকে চীনে যাচ্ছেন না বলে মনে করেন ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর পরিচালক ও সিনিয়র ফেলো গ্রেগরি পোলিং।
ট্রাম্পের চীন সফর প্রসঙ্গে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার কাছে এমন মতামত তুলে ধরেছেন তিনি।
পোলিং ব্যাখ্যা করেছেন, গত এক বছরে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধের ফলাফলের ভিত্তিতে বেইজিং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে তাদের হাতে সম্ভবত প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি দর কষাকষির ক্ষমতা রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের আসলে বড় ধরনের কোনো ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন নেই, অন্তত বড় কোনো কাঠামোগত ছাড় তো নয়ই।
বেইজিং ইতোমধ্যেই একবিংশ শতাব্দীতে নিজেকে নিয়ম প্রণেতা হিসেবে দেখে বলে মনে করেন তিনি।
পোলিং দাবি করেন, উভয় পক্ষই প্রণালিটি খুলে দিতে চায়। এটাই সম্ভবত একমাত্র ক্ষেত্র যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের স্বার্থ মিলে যায়।
এবং চীন ইরানকে দেওয়া তার নিজস্ব বার্তায় খুব স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা প্রণালীটি উন্মুক্ত দেখতে চায়।
তবে, ইরানের বিষয়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রের মতোই সহযোগিতা চায় কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে পোলিং বলেছেন, স্পষ্টতই, উত্তরটি হলো ‘না’।
তিনি এই বলে উপসংহার টানেন, বেইজিং জলপথটি পুনরায় চালু করতে চাইলেও এই প্রণালিটিতে চীন নয়… বরং যুক্তরাষ্ট্রই অপমানিত হচ্ছে।
সূত্র : আলজাজিরা




